Monday, June 17, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অবশেষে জানা গেল গর্ভবতী মমির ‘রহস্য’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “তাদের সংগ্রহে থাকা ওই মমিটি একজন গর্ভবতী নারীর, যিনি নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন’’

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২২, ০২:২৮ পিএম

১৯ শতকের শুরুতে মিশরের একটি পিরামিড থেকে উদ্ধার হয়েছিল এক মমি। সে সময় বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, এই মমিটি কোনো গর্ভবতী নারীর হতে পারে। তবে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি তারা। ১৮২৬ সালে আবিষ্কৃত সেই মমির রহস্যের জট অবশেষে খুলেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “তাদের সংগ্রহে থাকা ওই মমিটি একজন গর্ভবতী নারীর। যিনি নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।’’

১৯ শতকের শুরুতে থিবেসে আবিষ্কৃত মমিটি ১৮২৬ সালে ওয়ারশ বিশ্ববিদ্যালয়ে দান করা হয়েছিল।

পরে ওই ঘটনায় গবেষণার জন্যে বিশেষজ্ঞরা গত বছর ওই মমিটির বাক্স খুলে ফেলেন।

কফিনের বাইরের অংশের লেখা দেখে প্রত্নতাত্ত্বিকরা ধারণা করেছিলেন, “ওই মমিটি একজন পুরুষ পুরোহিতের।’’

তবে গবেষণায় জানা যায়, “ওই মমিতে পাওয়া মৃতদেহটি একজন নারীর। যিনি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে মারা গিয়েছিলেন। ফলে ধারণা করা যায় এটির বয়স ২ হাজারেরও বেশি বছর।’’

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় মমির এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান করার পর থ্রি-ডি স্ক্যান ছবি বানানো হয়। যেখানে ওই নারীর মাথার অবস্থান দেখা গেছে।

গবেষকরা বলছেন, “তথ্যের বিশ্লেষণে ক্র্যানিওফেসিয়াল হাড়ের পরিবর্তন দেখা গেছে। যা আসলে নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সারের (এনপিসি) লক্ষণ প্রকাশ করেছে।’’

“এটি এক ধরনের ক্যান্সার যা নাসফ্যারিনেক্সে (নাক ও গলায়) হয়।’’

এছাড়া ওই নারীর বাম চোখে কোটর ও অন্য হাড়ে দেখা যায় সেখানে বেশ কিছু টিউমার ছিল।

এসব দেখে গবেষকরা সিদ্ধান্তে আসেন ওই নারী ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

গবেষকরা বলছেন, “পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকায় অনেকেই নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।’’

যদিও বর্তমানে ন্যাসোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার খুবই বিরল। বছরে মাত্র ২৬০ জনের মধ্যে এই রোগ শনাক্ত হয়ে থাকে।

About

Popular Links