Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হাজার হাজার লোকের সামনে ১৪ জনকে চাবুক মারলো তালেবান

শরিয়া আইনে হাজারো মানুষের সামনে ৩ নারীসহ ১৪ জনকে একটি ফুটবল স্টেডিয়ামে দোররা মেরেছে তালেবান। এ নিয়ে এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে এমন সাজা কার্যকর করা হলো আফগানিস্তানে

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২২, ১২:১৩ পিএম

ব্যভিচার, সমকামী যৌনতা, ডাকাতিসহ নৈতিক অপরাধের দায়ে শরিয়া আইনে হাজারো মানুষের সামনে ৩ নারীসহ ১৪ জনকে একটি ফুটবল স্টেডিয়ামে দোররা মেরেছে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় থাকা তালেবানরা।

আফগানিস্তানে তালেবানের নিয়ন্ত্রণাধীন সুপ্রিম কোর্টের এক টুইটের বরাতে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে জার্মানিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।

এ নিয়ে এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো তালেবান প্রকাশ্যে এমন সাজা কার্যকর করলো।

আফগানিস্তানে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে তালেবানের প্রথম শাসনামলে দোররা বা বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপের মতো কঠোর শরিয়া আইনের সাজা কার্যকর ছিল। এখন তালেবানের আবার পুরোনো ধারায় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছিল, চলতি মাসে আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তাকহার প্রদেশে ৯ জন নারীসহ ১৯ ব্যক্তিকে বিভিন্ন অপরাধের শাস্তি হিসেবে ৩৯টি করে দোররা মারা হয়েছে। গত বছর তালেবান গোষ্ঠী আফগানিস্তানের ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো শরিয়া আইনের কঠোর প্রয়োগ করলো। 


আরও পড়ুন-  শরিয়া আইনে নারীসহ ১৯ জনকে তালেবানের দোররা


গত বছরের আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে যায়। পরে তারা সরকার গঠন করে। সরকার গঠনের পর তালেবান গত সপ্তাহে দেশটির তাকহার প্রদেশে প্রথমবারের মতো কঠোর শরিয়া আইন প্রয়োগ করে।

চলতি মাসেই দেশটির বিচারকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তালেবানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। বৈঠকে কিছু অপরাধের জন্য শরিয়া আইনে শাস্তি প্রদান করতে বিচারকদের নির্দেশ দেন তিনি।

আখুন্দজাদার নির্দেশনার পর তালেবানের এক মুখপাত্র বলেছিলেন, ডাকাতি, অপহরণ, রাষ্ট্রদ্রোহের মতো কিছু অপরাধের শাস্তি অবশ্যই ইসলামি শরিয়া আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী দিতে হবে।

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে তালেবান যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন অপরাধীদের প্রকাশ্যে অঙ্গশ্ছেদ, পাথর ছুড়ে মারার মতো শাস্তি দেওয়া হতো। তখন এ নিয়ে কঠোর নিন্দার মুখে পড়ে তালেবান।

তবে গত বছর ক্ষমতায় এসে তালেবান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, অতীতের মতো তারা এবার দেশ শাসন করবে না। কিন্তু তাদের সেই প্রতিশুতি আর বাস্তবে দেখা যাচ্ছে না।

About

Popular Links