Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রুশ নাগরিক হিসেবে শপথ নিলেন এডওয়ার্ড স্নোডেন

২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার গোপন নজরদারির বিভিন্ন তথ্য ফাঁস করে দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন তুলেছিলেন এডওয়ার্ড স্নোডেন

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৪২ পিএম

২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার গোপন নজরদারির বিভিন্ন তথ্য ফাঁস করে দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন তুলেছিলেন এডওয়ার্ড স্নোডেন। এরপর তিনি বিভিন্ন দেশে পালিয়ে থেকে রাশিয়ায় আশ্রয় পান। ২০২০ সালে তাকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয় রাশিয়া।

এবার রাশিয়ার নাগরিক হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি। মস্কো তাকে একটি পাসপোর্টও দিয়েছে। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) স্নোডেনের আইনজীবীর বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।

রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফক্স জানিয়েছে, এডওয়ার্ড স্নোডেনের আইনজীবী আনাতোলি কুচেরেনা বলেছেন, এডওয়ার্ড গতকাল রাশিয়ার পাসপোর্ট পেয়েছেন এবং আইন অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। এ জন্য তিনি ভীষণ আনন্দিত এবং রুশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, রাশিয়ার সংবিধানমতে, তাকে আর কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা যাবে না।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে স্নোডেন রুশ আনুগত্যের শপথ নিয়েছেন কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তবে কোনো বিদেশি যখন রাশিয়ান নাগরিক হন, তখন দুটি সাধারণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। প্রথমত, রুশ ফেডারেশনের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য রাশিয়ার প্রতি অনুগত থাকা ও দেশটির ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে সম্মান করা এবং দ্বিতীয়ত, সমাজ ও রাষ্ট্রের ভালোর জন্য একজন রুশ নাগরিকের দায়িত্ব পালন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া। 

স্নোডেনের আইনজীবী আনাতোলি কুচেরেনা বলেছেন, স্নোডেনের স্ত্রী লিন্ডসে মিলসও রাশিয়ার নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। তার আবেদন গৃহীত হলে এই দম্পতির সন্তানেরা রাশিয়ার স্কুলে যাবে। কুচেরেনা জানিয়েছেন, তিনি তার মক্কেলের সঙ্গে প্রধানত ইংরেজিতে যোগাযোগ করেছেন। তবে স্নোডেন অল্পবিস্তর রুশ ভাষাও বলতে পারেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত সেপ্টেম্বরে একটি ডিক্রি জারি করে ৭২ জন বিদেশিকে নাগরিকত্ব দিয়েছেন। তার মধ্যে স্নোডেনও ছিলেন। পুতিন বলেছেন, “স্নোডেন বিশ্বাসঘাতক ছিলেন না। তিনি তার দেশের স্বার্থের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি।”

রুশ নাগরিকত্ব পাওয়ার পর স্নোডেন এক টুইটার পোস্টে বলেছেন, “আমি ও আমার স্ত্রী বহু বছর ধরে আমাদের মা-বাবার কাছে থেকে দূরে আছি। আমরা আমাদের ছেলের কাছে থেকে দূরে থাকতে চাই না। দীর্ঘ ১০ বছরের নির্বাসিত জীবনের পর আমরা একটু স্থিতিশীলতা চাই। এ জন্য আমার গোটা পরিবার নিয়ে দুই বছর ধরে অপেক্ষা করছি। আমি আমার পরিবারসহ সব মানুষের গোপনীয়তার জন্য প্রার্থনা করি।”

About

Popular Links