Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইউক্রেনকে ১,৫৬০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে আইএমএফ

দেশটিতে গত ১৩ মাস ধরে চলা রাশিয়ার যুদ্ধের মধ্যেই কিয়েভের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এই সহায়তা পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৫০ পিএম

যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে ইউক্রেনকে ১,৫৬০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

ঋণ অনুমোদনে আইএমএফকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

দেশটিতে গত ১৩ মাস ধরে চলা রাশিয়ার যুদ্ধের মধ্যেই কিয়েভের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এই সহায়তা পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

অবকাঠামো মেরামতে ইউক্রেনকে ১ হাজার ৫৬০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

তার মধ্যে ২৭০ কোটি ডলার জরুরি ভিত্তিতে কিয়েভে পাঠানো হবে বলে জানায় সংস্থাটি।

ইউক্রেনের বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে ঋণ অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্তকে শুক্রবার (৩১ মার্চ) এক টুইটবার্তায় গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ধন্যবাদ দেন জেলেনস্কি। 

টুইটে জেলেনস্কি উল্লেখ করেন, আমি ইউক্রেনের জন্য ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা কর্মসূচির অনুমোদনের জন্য আইএমএফ ও ক্রিস্টালিনা জর্জিভাবের প্রতি কৃতজ্ঞ। রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হতে যাচ্ছে।

তিনি আরও যোগ করেন, আমরা জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে আইএমএফের ফার্স্ট ডেপুটি-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গীতা গোপিনাথ বলেন, রাশিয়ার আগ্রাসনে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা উত্তরণে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। গত বছর থেকে দেশটির অর্থনীতি তীব্রভাবে সংকুচিত হয়েছে। দেশের মূলধনের বড় একটি অংশ শেষ হয়ে গেছে, দারিদ্রের বাড়ছে।

এর আগে আইএমএফের কর্মকর্তা গেভিন গ্রে জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনের অনিশ্চিত অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, যুদ্ধ পরবর্তীকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে কিয়েভের যোগদান ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠনে সহযোগিতা করা এই ঋণ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পুরোদমে রুশ আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর আইএমএফের এই চুক্তি অনুযায়ী সবচেয়ে বড় ঋণ সহায়তা পেতে যাচ্ছে কিয়েভ।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে ইউক্রেনের কিয়েভ, খারকিভ, বুচা, মারিউপোল, জাপোরিজ্জিয়াসহ অনেক শহরের অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বেসামরিক অবকাঠামোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত পুনর্গঠনে বিলিয়ন বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন। এ পরিস্থিতিতে দেশটিকে সহায়তা পশ্চিমা বিশ্বের কাছে আহ্বান জানিয়ে আসছেন জেলেনস্কি।

এরই অংশ হিসেবে অনেক আলোচনার পর ইউক্রেনকে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি অনুমোদন দিয়েছে আইএমএফ।

ইউক্রেন ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে যুদ্ধ বন্ধ না হলে আইএমএফের কিছু সদস্যের কাছ থেকে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার গ্যারান্টিও পেয়েছে।

আইএমএফ জানিয়েছে, বর্তমান সংঘাত যদি ২০২৫ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, তাহলে ইউক্রেনের আর্থিক চাহিদা ১১,৫০০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৪,০০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হতে পারে।

About

Popular Links