Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

উত্তর কোরিয়াকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন চুক্তি

‘ওয়াশিংটন ঘোষণা’ নামে চুক্তিটি উত্তর কোরিয়ার আক্রমণ প্রতিরোধে মিত্রদের সহযোগিতাকে শক্তিশালী করবে বলে জানিয়েছেন জো বাইডেন

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:৪৪ এএম

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার একের পর এক পরীক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করছে। এর ফলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চাপ তৈরি হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি যুগান্তকারী চুক্তি করেছে সিউল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইউলের করা চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন পরমাণুসজ্জিত সাবমেরিন মোতায়েন করার পরিকল্পনা রয়েছে। 

উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের যেকোনো পরিকল্পনায় সিউলকে যুক্ত করতেও সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। বিনিময়ে দক্ষিণ কোরিয়া কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে সম্মত হয়েছে।

“ওয়াশিংটন ঘোষণা” নামে চুক্তিটি উত্তর কোরিয়ার আক্রমণ প্রতিরোধে মিত্রদের সহযোগিতাকে শক্তিশালী করবে বলে জানিয়েছেন জো বাইডেন।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইউলের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইউক্রেন যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার সহযোগিতা ও পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে আলোচনার জন্য চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন ইউন সুক–ইউন। 

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ওয়াশিংটন ঘোষণাকে এই সফরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বর্ধিত প্রতিরোধ বাড়ানোর জন্য এটিকে একটি “অভূতপূর্ব” পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এর ফলে পারমাণবিক অস্ত্রসহ যেকোনো হামলা ঠেকাতে মিত্রদেশকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া রেকর্ডসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। তারা প্রতিবেশী দেশে যেকোনো সময় পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে, এই আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে এমন ঘোষণা দিল দক্ষিণ কোরিয়া। 

দুই কোরিয়া একসময় এক দেশ ছিল। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত চলা ৩ বছরের গৃহযুদ্ধে দেশটি ভেঙে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া নামের পৃথক দুটি দেশ হয়। পৃথক হওয়ার পর থেকে প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে কখনো সেই অর্থে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দেখা যায়নি। তবে গত এক বছরে দুই দেশের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটেছে।

About

Popular Links