Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আসিয়ান সম্মেলনে প্রাধান্য পাবে মিয়ানমার সংকট

আসিয়ানের নেতারা এ সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ায় সম্মেলনে বসতে যাচ্ছেন

আপডেট : ০৮ মে ২০২৩, ০৭:৩২ পিএম

অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আসিয়ান)  আসন্ন সম্মেলনে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় নেতাদের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে মিয়ানমার সংকট। সংগঠনটির নেতারা এ সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ায় সম্মেলনে বসতে যাচ্ছেন।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সুচির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে সামাজিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিন পাড় করছে মিয়ানমারের জনগণ। বিষয়টি নিয়ে একরকম নিরব ভূমিকা পালন করায় সমালোচিত হয়েছে আসিয়ান। পরবর্তীতে সংস্থাটি সহিংসতা বন্ধে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়। এবার তারা আবারও মিয়ানমারকে আলোচনার জন্য পাঁচ-দফা দিতে পারে বলা জানা গেছে।

তবে আন্তর্জাতিক সমালোচনা উপেক্ষা করে জান্তা সরকার অভ্যুত্থান বিরোধী পিপলস ডিফেন্স ফোর্স, জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে নারাজ।

এপ্রিল মাসে বিদ্রোহী ঘাঁটির একটি গ্রামে জান্তার একটি বিমান হামলায় বেশ কিছু হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা বিশ্বব্যাপী নিন্দার জন্ম দেয়।

কূটনীতিকরা এএফপিকে বলেছেন, “ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ ফ্লোরেসে ৯-১১ মে সম্মেলনে এই সংকট একটি মূল বিষয় হবে। ১০-সদস্যের আঞ্চলিক ব্লক জনগণের ওপর বিমান হামলার কঠোর নিন্দা করবে।”

সম্মেলনের একটি খসড়ার বরাতে এএফপি বলছে, “সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধের দাবিতে এই বছরের সম্মেলনে ইন্দোনেশিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করা হবে।”

খসড়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মিয়ানমারে টেকসই শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় সংলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার এটিই একমাত্র উপায়।”

মিয়ানমার আসিয়ানের সদস্য। কিন্তু শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জান্তার ব্যর্থতার জন্য শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় না।

এদিকে শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি বলেছেন, “তার দেশ মিয়ানমারের সংঘাতের সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলার জন্য ও নতুন শান্তি প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করার জন্য শান্ত কূটনীতি ব্যবহার করছে।”

তবে ইন্দোনেশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্টি নাতালেগাওয়া বলেছেন, “ক্রমবর্ধমান সংকট আসিয়ানের জন্য একটি অস্তিত্বের হুমকি তৈরি করেছে।”

সংস্থাটিকে তিনি আরও কিছু করার আহ্বান জানিয়েছেন।

নাতালেগাওয়া এএফপিকে বলেন, “আমাদের বিশ্বাস করানো হয় কিছু শান্ত কূটনীতি চলছে, কিন্তু এটি খুব শান্ত হতে পারে না। এটি একটি বধির নীরবতায় পরিণত হয়।”

তবে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান সতর্কতা ও কৌশলগত ধৈর্যের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমাদের নিশ্চিত করতে হবে সম্মিলিত ও ব্যক্তিগতভাবে আমাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো যাতে পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে না তোলে। তাদের নিজেদের সংকীর্ণ সংকীর্ণ স্বার্থের জন্য সামরিক বাহিনীকে আরও রক্তপাতের অনুমতি বা উৎসাহিত বা সক্ষম না করে।”

শীর্ষ সম্মেলনে আলোচিত অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে থাকবে বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগর। বেশ কয়েকটি আসিয়ান সদস্যের জলপথের আংশিক দাবি রয়েছে, যা চীন প্রায় সম্পূর্ণরূপে দাবি করে আসছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডোও ব্লকে পূর্ব তিমুরের সদস্য হওয়ার জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

About

Popular Links