Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছেন প্রথম সৌদি নারী নভোচারী

কক্ষপথে পৌঁছে রায়ানাহ বলেন, হ্যালো! আমি মহাকাশ থেকে বলছি। ক্যাপসুলে বসে পৃথিবী দেখার অনুভূতি অতুলনীয়

আপডেট : ২৩ মে ২০২৩, ০২:২১ পিএম

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছেন সৌদি আরবের প্রথম নারী নভোচারী রায়ানাহ বার্নাবি। রবিবার (২১ মে) নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে তিনিসহ চারজন ইলন মাস্কের মালিকানাধীন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্সের একটি রকেটে রওনা করেন।

সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়,  কক্ষপথে পৌঁছে রায়ানাহ বলেন, “হ্যালো! আমি মহাকাশ থেকে বলছি। ক্যাপসুলে বসে পৃথিবী দেখার অনুভূতি অতুলনীয়।”

সৌদি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে রায়ানাহ জানান, প্রথম সৌদি নারী নভোচারী হিসেবে মহাকাশে যেতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত।

মহাকাশ স্টেশনে এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময় কাটিয়ে ফ্লোরিডার উপকূলের কাছাকাছি কোনো এক জায়গায় তারা অবতরণ করবেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ।

কয়েক দশকের মধ্যে সৌদি আরবের প্রথম নভোচারী হিসেবে এই যাত্রায় অংশ নেন “স্টেম সেল” গবেষক রায়ানাহ বার্নাবি ও “রয়াল সৌদি এয়ার ফোর্স”র ফাইটার পাইলট আলি আল কার্নি।

যাত্রা শুরুর আগে বলেন রায়ানাহ বার্নাবি বলেন, “সবার জন্য এটি একটি স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মূহুর্ত। আমি শুধু বুঝতে পেরেছি যে এটা সম্ভব। আমি ও আলি এটা করতে পারলে অন্যরাও পারবেন।”

এই মহাকাশযাত্রার আয়োজক হিউস্টনভিত্তিক কোম্পানি “এক্সিওম স্পেস”। আর যাত্রা দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাসার সাবেক নভোচারী পেগি হুইটসন।

মহাকাশে সবচেয়ে বেশি সময় (৬৬৫ দিন ও এখন চলমান) কাটানো মার্কিন নভোচারীর রেকর্ড এখনো হুইটসনের দখলে।

এই যাত্রা দলের আরেক সদস্য হলেন মার্কিন ব্যবসায়ী জন শফনার, যিনি একটি “স্পোর্টস কার রেসিং” দলেরও মালিক।

কোম্পানি এই মহাকাশযাত্রার টিকেটের দাম প্রকাশ না করলেও আগের এক উদ্ধৃতি অনুসারে, এর প্রতি সিটের ভাড়া সাড়ে পাঁচ কোটি ডলার।

নাসার সর্বশেষ মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, এই যাত্রায় প্রতি ব্যক্তির দৈনিক খাবার খরচ দুই হাজার ডলার। আর স্লিপিং ব্যাগ ও অন্যান্য সরঞ্জামের খরচ দেড় হাজার ডলার।

মহাকাশ স্টেশনে অগ্রিম সরঞ্জাম নেওয়ার ফি ওজনে প্রতি পাউন্ড হিসেবে প্রায় ১০ হাজার ডলার। পরবর্তীতে সেগুলো ফেলে দেওয়ার ফি হিসেবেও একই অর্থ গুনতে হবে। আর যেসব সামগ্রী অক্ষত অবস্থায় ফেরত আসবে, তাতেও একই পরিমাণ খরচ পড়বে।

এই যাত্রার অতিথিরা বিভিন্ন পরীক্ষা চালাতে, পৃথিবীর ছবি তুলতে ও নিজ দেশের স্কুলপড়ুয়া শিশুদের সঙ্গে চ্যাটিং ও মহাকাশের ওজনশূন্য পরিবেশের বিভিন্ন কার্যক্রম দেখাবেন। তারা স্টেশনের বেশিরভাগ অংশেই প্রবেশাধিকার পাবেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে স্কাই।

বেশ কয়েক দশক ধরে মহাকাশ পর্যটনকে নিরুৎসাহিত করলেও মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা এখন এ বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। বছরে অন্তত ২টি এ ধরনের অভিযান আয়োজনের কথা ভাবছে সংস্থাটি। বেশ কয়েক দশক ধরে রুশ মহাকাশ এজেন্সি এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

About

Popular Links