Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সোমালিয়ার এক চতুর্থাংশ মানুষ খাদ্য সংকটে ভুগছে

জাতিসংঘের আশঙ্কা ২০২২ সালের মে মাসের মধ্যে সোমালিয়ার ৪৬ লাখ মানুষের খাদ্য সহায়তার প্রয়োজন হবে

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:১৯ পিএম

সোমালিয়ার জনসংখ্যার চারজনে একজন তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছে বলে জাতিসংঘের এক বার্তায় জানানো হয়েছে।

সোমবার (২০ ডিসেম্বর) জাতিসংঘ এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, সোমালিয়ায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে টানা বৃষ্টিপাত না হওয়ায় খরায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশটি।

ধারণা করা হচ্ছে, ২০২২ সালের মে মাসের মধ্যে ৪৬ লাখ মানুষের খাদ্য সহায়তার প্রয়োজন হবে।

খাদ্য, পানি এবং পশুর চারণভূমির অভাবে ইতোমধ্যে ১ লাখ ৬৯ হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য করছে। জাতিসংঘের আশঙ্কা, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই সংখ্যা ১৪ লাখে পৌঁছাতে পারে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে সোমালিয়া বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।

সোমালিয়ার জন্য জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়কারী অ্যাডাম আবদেলমৌলা এএফপিকে বলেন, সোমালিয়ায় আগামী এক মাসের মধ্যে পাঁচ বছর বা তার কম বয়সী প্রায় ৩ লাখ শিশু মারাত্মক অপুষ্টির ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা যদি তাদের সময়মতো সাহায্য না করি তবে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে।”

জাতিসংঘ এই সংকট মোকাবিলায় সহায়তার জন্য প্রায় ১৫০ কোটি ডলারের তহবিল আহ্বান করেছে।

দেশটির প্রায় ৭৭ লাখ জনসংখ্যারই ২০২২ সালের মধ্যে মানবিক সহায়তা এবং সুরক্ষার প্রয়োজন হবে। যা এক বছরেই ৩০% বাড়বে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি ১০ জনে অন্তত সাতজন সোমালি নাগরিক দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। খরার কারণে তারা বর্তমানে অনিশ্চিত জীবন যাপন করছে। অনেক পরিবারই তাদের গবাদি পশু হারিয়েছে এবং ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতিও বেড়েছে।

দেশটির মানবিক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী খাদিজা দিরিয়ে বলেছেন, তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা না পেলে সোমালিয়ার নারী-পুরুষ ও শিশুরা অনাহারে মারা যাবে।

সোমালিয়া সরকার গত মাসেই খরাকে দেশটির মানবিক “জরুরি অবস্থা” হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর অক্টোবরে দক্ষিণ সুদানের বন্যাকে ১৯৬২ সালের পর থেকে কিছু এলাকায় দেখা সবচেয়ে খারাপ হিসেবে উল্লেখ করে জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্রমবর্ধমান আলোকরশ্মির তীব্রতার কারণেই আবহাওয়া দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।

About

Popular Links