Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাশ্মীরে মন্দিরে পদদলিত হয়ে ১২ জনের মৃত্যু

শুক্রবার রাতে নতুন বছরের শুরুতে পূজা দিতে বহু ভক্ত মন্দির চত্বরে ভিড় জমালে হুড়োহুড়ির মধ্যে পদপিষ্ট হয়ে এ ঘটনা ঘটে

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২২, ০৫:০৬ পিএম

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে পদদলিত হয়ে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৩ জন। আহতদের স্থানীয় নারায়ণী হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। মন্দির চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে নতুন বছরের শুরুতে পূজা দিতে বহু ভক্ত মন্দির চত্বরে ভিড় জমালে হুড়োহুড়ির মধ্যে পদপিষ্ট হয়ে এ ঘটনা ঘটে। ফরাসি সংবাদ মাধ্যম এএফপি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

মন্দিরসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, অনুমতিপত্র না নিয়েই বিপুলসংখ্যক পুণ্যার্থী বৈষ্ণোদেবী ভবনে প্রবেশ করেছিলেন।

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজিপি) মুকেশ সিং বলেন, “মন্দিরে পদদলিত হওয়ার ঘটনায় ১২ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অনেকের অবস্থা গুরুতর।”

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি দিলবাগ সিংহ সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, “বৈষ্ণোদেবী মন্দির চত্বরে পদপৃষ্ট হয়ে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়। দর্শনার্থীদের দুই দলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। দুই দলই একে অপরের দিকে তেড়ে আসলে ভিড়ের মধ্যে পড়ে পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটে।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কার্যালয় থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে নিহত ব্যক্তির প্রত্যেকের পরিবারকে দুই লাখ রুপি করে দেওয়া হবে। আহত ব্যক্তিদের প্রত্যেককে দেওয়া হবে ৫০ হাজার রুপি করে।

জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল মনোজ সিনহার সরকারি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, “শ্রীমাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে পদদলিত হয়ে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর বেদনা বোধ করছি। নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা আর আহত ব্যক্তিদের জন্য প্রার্থনা থাকল।”

পদদলিত হয়ে নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ রুপি ও আহত ব্যক্তিদের ২ লাখ রুপি করে দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। মনোজ সিনহা আরও বলেন, “মন্দির কর্তৃপক্ষ আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার খরচ দেবে।”

প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অতিরিক্ত লোকের সমাগম ঘটে জম্মু-কাশ্মীরের এই বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে। কাটরা থেকে হেঁটে পাহাড়ি পথে প্রায় ১৪-১৫ কিলোমিটার যেতে হয়। অনেকেই ওই পথ ঘোড়ায় চড়ে যান। পাহাড়ি পথের প্রায় পুরোটাই প্রশস্ত রাস্তা। তবে মন্দিরের ভেতরের পথ বেশ সংকীর্ণ।

About

Popular Links