Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

লাইভ টকশোতে পাকিস্তানি দুই নেতার মারামারি

  • দুজন দুজনকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করেন
  • একজন অন্যজনকে কিলঘুষি মারেন
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:৫৯ পিএম

পাকিস্তানে টেলিভিশনে রাজনৈতিক টকশোতে হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন দুই নেতা। সম্প্রতি টেলিভিশন টক শোতে এ কাণ্ড ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খানের আইনজীবী শের আফজাল খান মারওয়াত ও পিএমএল-এন–দলীয় সিনেটর আফনান উল্লাহ খান একটি টকশোতে অংশ নেন। সেখানেই তারা হাতাহাতিতে জড়ান।

এ সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এতে দেখা যায়, টকশোতে সিনেটর ও আইনজীবীর মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হচ্ছিল। দুজন দুজনকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। একপর্যায়ে আইনজীবী মারওয়াত সিনেটরকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করেন। একজন অন্যজনকে কিলঘুষি মারেন।

টকশোর উপস্থাপক দুজনকে থামানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে নেতারা নিজেরাই সেখান থেকে সরে যান।

আফনান উল্লাহ খান এক্সে (টুইটার) লিখেছেন, “মারওয়াত প্রথমে তাকে আক্রমণ করেন। তিনি সহিংসতায় বিশ্বাস করেন না। আবার এটাও ঠিক, তিনি ‘নওয়াজ শরিফের সেনা।”

সিনেটর বলেন, “মারওয়াতকে আমি যে মার দিয়েছি, তা সব পিটিআই নেতা-কর্মীর জন্য বিশেষ একটি শিক্ষা। তারা কারও কাছে মুখ দেখাতে পারবে না। তাদের রাস্তায় বের হতে হলে রোদচশমা পরে বেরোতে হবে।”

তবে মারওয়াত আরেকটি পোস্টে দাবি করেন, “ওই ‘অপ্রীতিকর ঘটনা’ নিয়ে টেলিভিশন টক শোর উপস্থাপক ‘ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছেন।”

পোস্টে মারওয়াত দাবি করেন, “তিনি গুজব ছড়াচ্ছেন, আমার প্রতিপক্ষ নাকি অতিমানব। তিনি বাস্তবতাটা তুলে ধরছেন না। আসল সত্য হচ্ছে, আফনান উল্লাহ স্টুডিও থেকে দৌড়ে পালিয়ে গেছেন এবং পাশের একটি কক্ষে তিনি আশ্রয় নেন। আমি পরে তাঁর অনুষ্ঠান দেখার পর বিষয়টি জানতে পারি।”

মারওয়াত বলেন, “তিনি সিনেটর আফনানের বিরুদ্ধে ‘মানহানির মামলার’ পরিকল্পনা করছেন। একই সঙ্গে ফৌজদারি মামলাও করবেন।”

২০২১ সালে এক টেলিভিশন টক শোতে সাবেক পিপিপি পার্লামেন্ট সদস্য আবদুল কাদির ও তৎকালীন পিটিআই নেতা ফেরদাউস আশিক আয়ানের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। আয়ান পরে ইশতিহকাম-পাকিস্তান পার্টিতে (আইপিপি) যোগ দেন।

About

Popular Links