Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পুতিন: উড়োজাহাজের ভেতরে গ্রেনেড বিস্ফোরণে প্রিগোশিনের মৃত্যু

  • ২৩ আগস্ট প্রিগোশিনকে বহনকারী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়
  • প্রিগোশিনকে বহনকারী বিমানটিকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা হয়েছে
আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৩, ১২:০০ এএম

উড়োজাহাজের ভেতরে গ্রেনেড বিস্ফোরণে প্রিগোশিনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বৃহস্পতিবার (০৫ অক্টোবর) সোচিতে ভালদাই ডিসকাশন ক্লাবে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

২৩ আগস্ট মস্কো থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গে যাওয়ার পথে প্রিগোশিনকে বহনকারী উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজে সাত যাত্রী ও তিন ক্রু ছিলেন। যাত্রীদের সবাই ওয়াগনারের শীর্ষ কর্মকর্তা। সেন্ট পিটার্সবার্গে ওয়াগনারের প্রধান কার্যালয় তাদের গন্তব্য ছিল।

পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়, ক্রেমলিন প্রিগোশিনকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে এ দাবি “মিথ্যা” বলে জানায় রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ। একই ধরনের বক্তব্য এবার বললেন রুশ প্রেসিডেন্টও।

পুতিন বলেন, প্রিগোশিনকে বহনকারী বিমানটিকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা হয়েছে। কোনো ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়ার তদন্ত কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, আগস্ট মাসে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের শরীরে বিস্ফোরকের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পুতিন বলেছেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের শরীরে হাতবোমার টুকরো অংশ পাওয়া গেছে। বিমানটিতে বাইরে থেকে আঘাত করা হয়নি। এটি সত্য। বিমানে কীভাবে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি রাশিয়ার এই নেতা।

তবে তিনি বলেছেন, নিহতদের শরীরে মাদকের ঊপস্থিতির পরীক্ষা করা হয়নি। এটি তদন্তকারীদের ভুল ছিল। এই পরীক্ষা করা উচিত ছিল।

পুতিন দাবি করেছেন, দুর্ঘটনার পরে সেন্ট পিটার্সবার্গে ওয়াগনারের অফিস তল্লাশি করা হয়েছিল। সেখান থেকে নগদ ১০০ মিলিয়ন ডলার ও পাঁচ কেজি কোকেন পাওয়া যায়।

গেল জুন মাসে রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি ব্যর্থ বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন প্রিগোশিন। এ ঘটনাকে সুস্পষ্ট দেশদ্রোহিতা বলে মন্তব্য করেন পুতিন। প্রিগোশিনের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়।

তবে বেলারুশের মধ্যস্থতায় সেসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মীমাংসা হওয়ায় মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়। ওয়াগনারের সেনাদের বড় একটি অংশ রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। অনেকে চাকরি ছেড়ে দেয়। আরেকটি অংশ নিয়ে বেলারুশ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেন প্রিগোশিন। 

ওই সময় অনেকেই বলেছিলেন, পুতিন কখনও প্রিগোশিনকে ক্ষমা করবেন না। এরই ধারাবাহিকতায় প্রিগোশিনের মৃত্যু হল।

About

Popular Links