Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গাজায় হামলার তীব্রতা কমিয়ে আনার ইঙ্গিত

বিভিন্ন দেশ গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:০৯ পিএম

গাজা অভিযানের তীব্রতা কমিয়ে আনার ইঙ্গিত দিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে এমন প্রসঙ্গ উঠে আসে।

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) দিনভর বৈঠক করেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োআভ গ্যালান্ট।

বিভিন্ন দেশ গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও ফের এ বিষয়ে আলোচনা শুরুর কথা। তারই ঠিক আগ মুহূর্তে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হলো।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ফের ভোটাভুটি হওয়ার কথা। তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই অবস্থায় যুদ্ধবিরতির দাবি তুলেছেন ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আরব দেশগুলো এনিয়ে নতুন খসড়াও তৈরি করছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এদিন ভোটে অংশ নিতে চায়নি। এর আগে নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এ বছরের ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর ইসরায়েল যে পাল্টা লড়াই শুরু করেছে, যুক্তরাষ্ট্র তা সমর্থন করে। কারণ ইসরায়েলের আত্মরক্ষার সম্পূর্ণ অধিকার আছে। কিন্তু একই সঙ্গে বেসামরিক লোকদেরকে রক্ষার দায়িত্বও আছে ইসরায়েলের। এবার সেদিকেই নজর দিতে হবে।

এদিকে লোহিত সাগরে নিরাপত্তা বাড়াতে একটি আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সঙ্গে এ অপারেশনে যোগ দেবে বাহরাইন, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন ও সেশেলস। লোহিত সাগরের পথ দিয়ে যেসব জাহাজ যাবে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এই গোষ্ঠী।

২০২২ সালে এই রুটে একটি নিরাপত্তা বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল। এবার সেটিকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এরই মধ্যে ওই অঞ্চলে তিনটি ডেস্ট্রয়্যার যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা টহল দিলেও সেখানে পূর্ণ নিরাপত্তা আসেনি। ফলে বহু বাণিজ্যিক জাহাজ ওই পথে চলাচল বন্ধ রেখেছে।

গত কিছুদিনে একাধিকবার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা এই পথে মার্কিন জাহাজে আক্রমণ চালায়। গত ৩ ডিসেম্বর তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে তিনটি মিসাইল আঘাত হানে। এরপর বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে।

অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র আর ভেটো দিতে চাইছে না। একটা সর্বসম্মত প্রস্তাব সামনে আসতে পারে। মঙ্গলবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত ভোটাভুটি হতে পারে। তবে সেই প্রস্তাবের খসড়া নিয়ে সন্তুষ্ট নয় যুক্তরাষ্ট্র। সে বিষয়ে ঐক্যমত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি মানবে না বলেই জানা গেছে। বস্তুত তার আগে সোমবার ইসরায়েলের সঙ্গে বৈঠকে কী হয়- সেদিকেও নজর ছিল সবার।

About

Popular Links