Friday, June 14, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আত্মীয়দের থেকে লটারি জেতার খবর লুকাতে মুখোশ পরলেন বিজয়ী

"এই লটারি জেতার পর থেকেই আমার শরীর খারাপ লাগছিল। এত টাকা পেয়ে আমি কি করব তা ভাবতে ভাবতে আমার পেটে গণ্ডগোলও শুরু হয়ে যায়"।

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৬:০৪ পিএম

লটারির পুরস্কারের অর্থটা  মার্কিন ডলারে এক দশমিক দুই মিলিয়নেরও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১০ কোটিরও অধিক টাকা। আর এই লটারির পুরস্কারজয়ী অর্থ সংগ্রহ করতে এলেন মুখোশ পরে! ‘ইমোজি মাস্ক’ বলে পরিচিত এই মুখোশ পরবার কারণ হিসেবে তিনি জানান, তার আত্মীয়-স্বজনরা তার লটারি পাওয়ার খবরটা জানুক তা তিনি চান না।  

শুধু মুখোশ পরেই ক্ষান্ত হননি তিনি, নিজের পরিচয় গোপন রাখতে লটারির পুরস্কার নেওয়ার সময় নিজের আসল নাম লুকিয়ে রীতিমত ছদ্মনাম 'এ. ক্যাম্পবেল' ব্যবহার করেন জামাইকার এই ব্যক্তি। নিজের আত্মীয়-স্বজনদের উপর বিন্দুমাত্র ভরসা নেই তার। বরং আশঙ্কা ছিল, তার সম্পত্তির ভাগ চেয়ে বসতে পারে তারা। আর তাই মুখোশ পরেই লটারির টাকা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। 'নেশনস সুপার লোটো' থেকে পাওয়া লটারির টাকা পেতে ক্যাম্পবেলকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৫৪ দিন। গত বছরের নভেম্বরে তিনি এই লটারি জিতেছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "এই লটারি জেতার পর থেকেই আমার শরীর খারাপ লাগছিল। এত টাকা পেয়ে আমি কি করব তা ভাবতে ভাবতে আমার পেটে গণ্ডগোলও শুরু হয়ে যায়"। তিনি জানান, লটারির এই টাকা দিয়ে তিনি একটি সুন্দর বাড়ি কিনবেন। তার ছোট ব্যবসাটিকে আরও বড় করে তুলতে চান তিনি।

এর আগেও গত জুনে আরও এক সুপার লোটো লটারি বিজয়ী এরকমই একটি ‘ইমোজি মাস্ক’ পরে লটারির টাকা নিতে এসেছিলেন। তিনিও নিজের পরিচয় গোপন করতেই এই মুখোশ পরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন।

About

Popular Links