Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ছয় মাস পর মুক্তি পেলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা

  • আটকের পর কারাগারে পাঠানো হলেও অসুস্থ হওয়ায় তিনি ছিলেন হাসপাতালে
  • প্যারোলে হাসপাতাল থেকে মুক্তি পান তিনি
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৫:৪৮ পিএম

কারাবন্দি থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা মুক্তি পেয়েছেন। ছয় মাস কারাগারে থাকার পর রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তিনি মুক্তি পান।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

বিদেশে ১৫ বছর স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার পর ২০২৩ সালের আগস্টে দেশে ফেরেন তিনি। এরপরপই তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হয় বলেও খবর প্রকাশ হয়। এরপর ছয় মাস হাসপাতালেই ছিলেন তিনি। করেছিলেন রাজকীয় ক্ষমার আবেদন

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ব্যাংককের কেন্দ্রীয় পুলিশ জেনারেল হাসপাতাল থেকে ছেড়ে আসা একটি গাড়িতে দেখা যায় তাকে। তার গলায় ছিল বন্ধনী ও মুখে ছিল সার্জিক্যাল মাস্ক।

এ দিন পশ্চিম ব্যাংককে নিজের বাড়িতে নেওয়া হয় থাকসিনকে। তাকে স্বাগত জানাই ও আমরা এই দিনটির জন্য এত দিন অপেক্ষা করছিলাম লেখা ব্যানারে স্বাগত জানায় পরিবার।

এ সপ্তাহের শুরুতে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন বলেছিলেন, রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন তার সাজা কমিয়ে এক বছর করেছেন। আর দুর্নীতির অভিযোগে আট বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত থাকসিনকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হবে।

২০০১ সালে ক্ষমতায় আসেন থাকসিন। ২০০৬ সালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে যখন তিনি ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই দেশে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে।

ক্ষমতা থেকে অপসারণের পরে তার বিরুদ্ধে মাদক দমনের নামে হাজারো মানুষ খুন, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ ফৌজদারি নানা অভিযোগে মামলা করা হয়। ২০০৮ সালে কারাগারে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তিনি দেশ ছাড়েন।

২০০৬ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে থাইল্যান্ডে। 

এ বছরের মে মাসে থাইল্যান্ডের পার্লামেন্ট নির্বাচনে থাকসিনের মেয়ে পেতংতার্নের দল ফেউ থাই দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

এরপর ২০২৩ সালের আগস্টে তিনি দেশে ফিরে আসেন। তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় পাঠানো হয় পুলিশ হাসপাতালে।

২০০৮ সালে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরেও থাকসিনের মিত্ররা থাই রাজনীতিতে একটি বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে চলেছে। তার বোন ইংলাক সিনাওয়াত্রা ২০১১-২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২৩ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল স্রেথা থাভিসিনের রাজনৈতিক দল ফেউ থাই পার্টি। এরপরই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে পার্লামেন্টে ভোট হয়। অনেকের ধারণা ছিল, নির্বাচনে প্রথম হওয়া প্রগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি থেকেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে শেষমেশ ভোটে জিতে দেশটির ৩০তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন স্রেথা থাভিসিন

About

Popular Links