Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দ্বীপটিতে একাই থাকেন ৮১ বছরের এই বৃদ্ধা

স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে সারাদিন মাছ ধরেই  সময় কেটে যায়, এমনই দাবি দ্বীপের একমাত্র এ বাসিন্দার

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:২৯ পিএম

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে কে না চায়। কিন্তু কখনো ভেবেছেন, ছোট্ট একটা দ্বীপ, যার চারপাশে সুবিশাল জলরাশি, কোথাও কেউ নেই।পারবেন এমন জনমানবশূন্য স্থানে থাকতে? ৮১ বছর বয়সী বৃদ্ধা কিম সিন ইওল কিন্তু ঠিকই পেরেছেন। 

১৯৯১ সাল থেকে ২৭ বছর দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বীপটিতে সংসার করছেন কিম। ২০১৮ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর একাই এই দ্বীপের বাসিন্দা তিনি। সারাদিন মাছ ধরেই নাকি তার সময় কেটে যায় এমনই দাবি তার। এ প্রসঙ্গে কিমের নাতি বলেন, তার দাদির কাছে এটিই শান্তির জায়গা। তাই এখানে থাকতেই ভালবাসেন তিনি।

একা ভালই আছেন, এমনকি নিজের ছেলে ও পুত্রবধূকেও নাকি এ দ্বীপের বাসিন্দা করতে চান কিম। তার মতে, পর্যটকদের কাছে ডাকটিকিট, সাবান ও সি-ফুড বিক্রি করেই দিব্যি চলে যাবে সবার।

সিওল থেকে ৪৩৩ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই দ্বীপ। প্রায় ২৩০০ মিটার উচু একটা আগ্নেয়গিরি রয়েছে এই দ্বীপের কাছে সমুদ্রের নীচে। দক্ষিণ কোরিয়ার এই দ্বীপের আশপাশের জলসীমার অধিকার জাপানের। বহির্বিশ্বের কাছে দ্বীপটি লিয়ানকোর্টস রক নামে পরিচিতহলেও কোরীয়রা বলেন ডোকডো দ্বীপ, আর জাপানে দ্বীপটি পরিচিত তাকেশিমা নামে। জাপানের সঙ্গে এই দ্বীপের মালিকানা নিয়ে বিবাদ রয়েছে গত ৩০০ বছর ধরে বিবাদ রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার। দ্বীপটিতে একটি লাইটহাউসও বানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ।

পুলিশ, নাবিক, পর্যটক, লাইটহাউস অপারেটর— অনেকেই এই দ্বীপে বেড়াতে আসেন। তবে বেশির ভাগ সময়ই ঝড়বৃষ্টির আশপাশের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দ্বীপটি। ৭০-এর দশক নাগাদ ডাইভারদের বেশ কিছু পরিবার এই দ্বীপে থাকতেন। কিন্তু আবহাওয়ার কারণেই আস্তে আস্তে ফাঁকা হতে শুরু করে দ্বীপটি।


 

About

Popular Links