Thursday, October 08, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চুলকানি কমছে না? যে পরীক্ষাগুলো করা জরুরি

নতুন করে শুরু হওয়া বা ক্রমাগত বাড়তে থাকা চুলকানিকে অবহেলা করা ঠিক নয়

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

চুলকানি হলেই আমরা সাধারণত ত্বকের কোনো সমস্যা হয়েছে বলে ধরে নিই। তাই ক্রিম বা লোশনেই সমাধান খুঁজি। কিন্তু ত্বকে কোনো র‍্যাশ, দাগ বা ফুসকুড়ি নেই, অথচ দিনের পর দিন সারা শরীরে চুলকানি হচ্ছে - তখন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা দরকার।

লিভার বা কিডনির সমস্যার উপসর্গ হিসেবেও চুলকানি দেখা দিতে পারে। লিভারের সমস্যায় হাতের তালু ও পায়ের তলায় বেশি চুলকানি হতে পারে। কিডনির সমস্যায় রাতে সারা শরীরে চুলকানি দেখা দিতে পারে। থাইরয়েডের সমস্যাতেও এমন উপসর্গ হতে পারে।এছাড়া রক্তস্বল্পতা বা শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকলেও চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও ত্বকে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। রক্তে শর্করা বাড়লে শরীরে পানির ঘাটতি হতে পারে, ফলে ত্বক শুকিয়ে যায় ও নানা রকম লক্ষণ ফুটে ওঠে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে নতুন করে শুরু হওয়া বা ক্রমাগত বাড়তে থাকা চুলকানিকে অবহেলা করাও ঠিক নয়। 

কখন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নেবেন?

১. টানা ছয় সপ্তাহের বেশি চুলকানি থাকলে
২. চুলকানির সঙ্গে চোখ বা ত্বক হলদেটে হয়ে গেলে
৩. কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে গেলে
৪. চুলকানির সঙ্গে রাতে ঘাম বা জ্বর হলে
৫. গলা বা শরীরের কোথাও কোনো গ্রন্থি ফুলে উঠলে

যে ৪টি পরীক্ষা করা হয়

লিভার ফাংশন টেস্ট, কিডনি ফাংশন টেস্ট, থাইরয়েড টেস্ট, আর কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি)- এই চারটি সাধারণ পরীক্ষাতেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চুলকানির নেপথ্যে আসল কারণ ধরা পড়ে।   

ত্বকে অন্য কোনো উপসর্গ না থাকলেও দীর্ঘদিন চুলকানি হলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। ক্রিম বা লোশন ব্যবহারে চুলকানি না কমলে সমস্যার কারণ ত্বকের বাইরে অন্য কোথাও থাকতে পারে।

   

About

Popular Links

x