• শুক্রবার, মে ২৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:০১ দুপুর

সঙ্কট সময়ে ‘সঙ্কটে’ গণতন্ত্র ও উত্তরণের সম্ভাব্য পথ

  • প্রকাশিত ১০:৪৫ রাত এপ্রিল ৭, ২০২০
ঢাকা-পুলিশ
ফাইল ছবি। মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

কর্তৃত্ববাদের বলে কয়ে উল্লম্ফনের এই সময়ে এবং এর পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক দর্শন ও চর্চা টিকিয়ে রাখা যেতে পারে, নতুবা ইতোমধ্যেই খাবি খাওয়া গণতন্ত্রের সঙ্কট সামনের দিন ও বছরগুলোতে আরও যে ঘনীভূত হবে তা দিবালোকের মতন স্পষ্ট

বিশ্বব্যাপী বর্তমান করোনাভাইরাস মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে সরকারগুলোকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে। এই কঠোর পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো-জরুরি অবস্থা জারি করা এবং লক ডাউন বা নাগরিকদের স্থানিক এবং বৈশ্বিক চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করা। এমনকি রাষ্ট্রীয় বাহিনী দ্বারা ভয়-ভীতি বা এমনকি শারিরীক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটছে অহরহ। গতকাল ফেসবুকে দেখলাম উগান্ডার এক বন্ধু দুইজন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের ছবি পোস্ট করে অভিযোগ করেছেন, উনি ও উনার ভাই জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে যাওয়ার সময়ে পুলিশের ঐ দুই সদস্য কোনো কথা না শুনেই শারিরীকভাবে তাদের লাঞ্চিত করেছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, কিছুদিন আগেই এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে উত্তর উগান্ডায় এক শিশুমারা গেছে।  তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, উগান্ডার মানুষদের সাহায্য বা সমর্থনে তাহলে কাদের বা কেমন মানুষদের রাস্তায় নামানো হলো? তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, আইনশৃঙ্খলা প্রণয়নকারীরাদের এইভাবে আইনের শাসনের নিশ্চিত করার অধিকার আছে কি? 

এবার আসি আমার অভিজ্ঞতায়। আমি বাসায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাদ্য মজুদ করে রাখিনি, তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গতকাল বাইরে গেলাম আনুমানিক নয়টার দিকে, দেখলাম ফার্মেসি ছাড়া দোকানপাট সব বন্ধ। বেশ খোঁজাখুঁজি করে ডিম পেলাম, তাই নিয়ে গা বাঁচিয়ে হেঁটে আসছি, রাস্তায় মানুষজনও অবশ্য বেশি ছিলো না, ছড়িয়ে ছিটিয়ে কয়েকজন হবে হয়তো। আচমকাই পেছন থেকে শুনতে পেলাম মাইকে বলা হচ্ছে, ঘরে থাকুন, নিজে নিরাপদ থাকুন এবং অন্যকেও নিরাপদ রাখুন, সরকারের আদেশ মেনে চলুন। খুব ভালো কথা কিন্তু সমস্যা হলো আমি দেখলাম যারা এই বার্তা প্রেরণ করছেন তারা দুইটা মোটর সাইকেলে তিনজন করে ছয়জন যাত্রী আর পেছনের জনের হাতে লাঠি, উনারা লাঠি হাঁকাতে হাঁকাতে আসছেন, আমার কাছে এসে লাঠি উঁচিয়ে এই ঘরে যান বলে চিৎকার করে উঠলেন, আমি তড়িঘড়ি করে লাঠির মুখ থেকে সরে গেলাম। উনারা মোটরসাইকেল উড়িয়ে সাঁই করে চলে গেলেন, আমি বলার সুযোগ পেলাম না যে আমি ঘরের দিকেই যাচ্ছি এবং উনারা সেই পথে একটু হলেও বাধা সৃষ্টি করেছেন এবং উপরন্তু আমার মনে লাঠির আঘাতের একটা আতঙ্ক তৈরি করেছেন। অর্থাৎ, সরকার বা রাষ্ট্র মোটামুটিভাবে এটা স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে তারা কঠোর হতে যাচ্ছে। সেনাবাহিনীও যে কঠোর হবে তাতো একেবারে প্রজ্ঞাপন জারি করে নিশ্চিত করা হলো। 

এই অবস্থা যে শুধুমাত্র বাংলাদেশ বা উগান্ডার মতন তথাকথিত “দুর্বল গণতন্ত্র”, “তৃতীয় বিশ্ব” বা “ভঙ্গুর অর্থনীতি”র কিংবা চীনের মত স্বৈরাচারি দেশগুলোতেই প্রকট তা কিন্তু নয়, বরং গণতন্ত্র “শক্তিশালী” এমনসব দেশগুলোর সরকারও কঠিন কঠিন পদক্ষেপ নিয়েছে অথবা নেওয়ার কথা ভাবছে। যেমন, টেলিভিশনের স্ক্রলে দেখতে পেয়েছি নাগরিকদের ঘরে রাখতে প্রয়োজনে কঠোর অবস্থানে যাবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার, ইসরায়েল নাগরিকদের পর্যবেক্ষণের জন্য গণনজরদারি শুরু করেছে, হাঙ্গেরির সংসদ বাধ্যতামূলকভাবে নাগরিকদের “শীতনিদ্রায়” পাঠানোর চিন্তা করছে এবং যেসব সাংবাদিক “মিথ্যা সংবাদ” পরিবেশন করবে তাদের জরিমানার করার কথা ভাবছে, একইভাবে অনেকগুলো ইউরোপীয়ান রাষ্ট্রের জনগণের চলাচল পর্যবেক্ষণের জন্য টেলিফোন কোম্পনিগুলোর সাথে মধ্যস্থতা করছে। এইসব উদাহরণ একটি বিষয়েই ইঙ্গিত করছে আর তাহলো এই সঙ্কট সময়ে মহামারি মোকাবিলার জন্য বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো কঠোর এবং বলপূর্বক বলবৎ করা যাবে এমন ব্যবস্থাগুলোকেই প্রাধান্য দিচ্ছে এবং কার্যকর ভাবছে। এর স্বপক্ষে যুক্তি হলো- মানুষজনকে কঠোর ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে বাধ্য না করা গেলে এই মহামারি ঠেকানো সম্ভব না এবং এমনসব পদক্ষেপের মধ্যে দিয়েই ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে এই মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। কিন্তু এইসব পদক্ষেপের বেশিরভাগ-ই অনেক আইনজ্ঞ এবং মানবাধিকার সংস্থাসমূহ ইতোমধ্যেই বিপদজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা আশঙ্কা করছেন এমনসব পদক্ষেপ ভবিষ্যতের জন্য নজির হয়ে থাকবে এবং সরকারগুলো “জরুরি” অবস্থার দোহাই দিয়ে মানুষজনকে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং নিজেদের ক্ষমতাকে আরও সুসংহত করতে চাইবে। অর্থাৎ এই সঙ্কটকাল গণতন্ত্রকে শুধু এই সঙ্কটকালেই নয় বরং ভবিষ্যতেও সঙ্কটের মুখে ঠেলে দিবে এবং কর্তৃত্ববাদী ও স্বৈরাচারি মনোভাবকে উস্কে দিবে বলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের আশঙ্কাএখন প্রশ্ন হলো বর্তমান পরিস্থিতিতে এইসব জরুরি ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া রাষ্ট্র আর কিইবা করতে পারে? আমি কি রাষ্ট্র কর্তৃক এসব ব্যাবস্থার বিরুদ্ধে? উত্তর হ্যাঁ এবং না দুটোই। হ্যাঁ, এ জন্য যে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সুরক্ষাকরণের (সিকিউরিটাইজেশন) উদ্যোগ নিতেই পারে, এমনসব সময়ে ঐতিহাসিকভাবেই তা হয়ে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে খুব একটা বিকল্পও সরকারগুলো ভাবতে পারছে না। কিন্তু আপত্তি হলো এসব সিদ্ধান্ত কিভাবে নেওয়া হচ্ছে সে জায়গায় এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিদ্ধান্তগুলো কি জনসাধারণের বা বৃহত্তর সমাজের সাধারণ স্বার্থ ভেবে নেওয়া হয়েছে কি না? অধিকন্তু এই সিদ্ধান্তগুলোর স্বচ্ছতা এবং এগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট প্রভাবগুলোর জন্য জবাবদিহিতা রয়েছে কিনা। যদি তেমনটা না হয় তবে গণতন্ত্রের সঙ্কট ঘনীভূত হবে এবং স্বেচ্ছাচারি ও কর্তৃত্ববাদী সরকারের বিকাশ ঘটবে। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে করোনা পরিস্থিতির ব্যবস্থাপনা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সন্দেহের উদ্রেক ঘটেছে। দেখা যাচ্ছে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী করোনা পরিস্থিতি ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় জন্য আরও বেশি প্রান্তিক হয়ে উঠছে। উদাহরণস্বরূপ, গত দুইদিন গার্মেন্ট শ্রমিকদের নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা। সরকার ঘোষণা দিয়েছিলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে পোশাক কারখানা খোলা রাখা যাবে, অন্যদিকে বাংলাদেশ পোষাকশিল্প প্রস্তুতকারক এবং রপ্তানীকারক সংস্থা (বিজেএমইএ) সরকার থেকে ৫০০০ কোটি টাকা প্রণোদনা পেয়েও পোষাকশিল্প কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিন্দার ঝড় তুলেছে। এতে করে দৃষ্টিকটুরূপে চোখে পড়লো সরকার ও বিজেএমইএ’র মধ্যকার সমন্বয়হীনতা এবং তৈরি পোশাক শ্রমিকদের দুর্ভোগ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরও একটা অভিযোগ ভেসে বেড়াচ্ছে যে, সরকার আসলে প্রকৃত করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা নিয়ে লুকোচুরি খেলছে এবং “নো টেষ্ট, নো করোনা” পলিসি গ্রহণ করেছে, এ নিয়ে গুরুতর এবং হাস্যরসাত্মক উভয় ধরনের আলোচনা বেশ চোখে পড়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বেশ গুরুতর একটি অভিযোগ। গ্লেসিয়াস ২০১৮ সালে প্রকাশিত তার প্রবন্ধ “What authoritarianism is…and is not: A practice perspective” এ যা বলেছেন তার অনুবাদ করলে যেমনটা দাঁড়ায় তা হলো, “কর্তৃত্ববাদ এমনসব কাজ করতে উৎসাহী, যেগুলো তথ্য গোপন করা, ভুল তথ্য দেওয়া এবং মানুষের স্বরকে চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে জনগণ এবং তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বকারীদের মধ্যেকার জবাবদিহিতার সম্পর্ককে বিনাশ করে দেয়”। বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা একই ধরনের এমন অভিযোগের সুষ্ঠু জবাব দিতে সরকার মুন্সিয়ানার পরিচয় দিতে পারেনি, উল্টো করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা বাংলাদেশে কম বলে অনেকে সন্তুষ্ট নয় এমন কথা বলে সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছেন। তাহলে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে গণতন্ত্র কি এই সঙ্কটের সময়ে আরও “সঙ্কটে” পড়ে গেলো বা ভবিষ্যতে কি গণতন্ত্রকে এর জের বয়ে নিয়ে বেড়াতে হবে? এখনই এই গুরুতর প্রশ্নগুলোর একটা অন্তিম উত্তর দেওয়া সম্ভবপর নয়, তবে যেটা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে তাহলো কর্তৃত্ববাদের যেই লক্ষণগুলো আমরা বাংলাদেশ, উগান্ডাসহ বিশ্বব্যাপী ইতোমধ্যে লক্ষ্য করেছি এবং করছি সেগুলো থেকে গণতান্ত্রিক চর্চাকে কিভাবে টিকিয়ে রাখা যায়? কিভাবে সুশাসন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়? 

এক্ষেত্রে আমাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বকারীরা, গণমাধ্যম এবং সর্বোপরি নাগরিকগণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধিত্বকারীরা নানাভাবে বেশিরভাগ সময়ে সমালোচিত হলেও উনাদের সদিচ্ছা ও নিজেদের এলাকার কিংবা আসনের জনসাধারণের কাছে তাদের দায়বদ্ধতা গণতান্ত্রিক চর্চাকে এগিয়ে নিতে পারে এবং টিকিয়ে রাখতে পারে। গণতান্ত্রিক চর্চা টিকিয়ে রাখতে গণমাধ্যমগুলো সঠিক তথ্য অনুসন্ধান ও প্রকাশের মাধ্যমে এক্ষেত্রে অন্যতম ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু গণমাধ্যমের প্রতি সরকারগুলোর তীক্ষ্ণ নজর থাকে। এই যেমন কয়দিন আগেই বাংলাদেশে একটি বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিলো, যেখানে বলা হয়েছিলো নির্দিষ্ট কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে পর্যবেক্ষণ করবেন এটা দেখতে যে তারা কোনো গুজব ছড়ায় কিনা, পরবর্তীতে নাগরিক ও সুশীল সমাজের প্রতিবাদের মুখে সেই প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়, কিন্তু তারপরেও এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে এমন ধরনের পলিসির একটা অদৃশ্য প্রভাব গণমাধ্যমের উপর না পড়েই যায় না। তবুও গণমাধ্যমগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে গণতন্ত্রীয় চর্চা টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে যে গুরুত্বপূর্ণ তা অনস্বীকার্য। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে রাষ্ট্রসমূহের নাগরিকগণ। সক্রিয় নাগরিকরাই যারা গণতান্ত্রিক চর্চা ও দর্শনে বিশ্বাসী তারাই সরকারগুলোকে গণতান্ত্রিক চর্চা সমুন্নত রাখতে কার্যকরভাবে চাপ প্রদান করতে পারে। এক্ষেত্রে সামাজিক এবং পরিবেশগত ইস্যু সমূহকে কেন্দ্রে রাখতে হবে, খেয়াল রাখতে হবে যে সরকার কি করছে এবং কোন ধরনের পলিসিগুলো গ্রহণ করছে এবং সেগুলো কি বৃহত্তর জনসাধারণ, সমাজ এবং পরিবেশের জন্য সহায়ক নাকি কতিপয়ের স্বার্থসিদ্ধির পথকে ত্বরান্বিত করছে। এগুলো মাথায় রেখে সরকারকে ক্রমাগত প্রশ্ন করে যেতে হবে। নিজেদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বকারীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে, নিজেদের বাস্তবতাই শুধু নয় বরং নিজ শ্রেণি, পেশা, ধর্ম, বর্ণ, জাতিসত্ত্বার বাইরের অপরাপর মানুষজনের ভিন্ন বাস্তবতাগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে এবং গণমাধ্যমগুলোকে এই ভিন্ন বাস্তবতা তুলে ধরার জন্য তাগাদা দিতে হবে ও প্রয়োজনে চ্যালেঞ্জ করতে হবে, স্বাধীন গণমাধ্যমগুলো ও সুশীল সমাজের অ্যাডভোকেসি দলগুলোকে অর্থনৈতিক সমর্থন দিয়ে পাশে দাঁড়াতে হবে, “অনলাইন প্রতিবাদ” এ যোগ দেওয়া যেতে পারে (মনে রাখতে হবে “আরব বসন্ত”, গ্রেটা থুনবার্গের পরিবেশ আন্দোলন, কিংবা শাহবাগ আন্দোলনের বিস্তার অনলাইন প্রতিবাদের থেকেই শুরু হয়েছিলো অথবা বিস্তার লাভ করেছিলো) এবং সর্বোপরি নিরন্তর নাগরিকদের নিজেদের বলয়ে ও জনপরিসরে অর্থপূর্ণভাবে সক্রিয় থাকতে হবে। আর এভাবেই কর্তৃত্ববাদের বলে কয়ে উল্লম্ফনের এই সময়ে এবং এর পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক দর্শন ও চর্চা টিকিয়ে রাখা যেতে পারে, নতুবা ইতোমধ্যেই খাবি খাওয়া গণতন্ত্রের সঙ্কট সামনের দিন ও বছরগুলোতে আরও যে ঘনীভূত হবে তা দিবালোকের মতন স্পষ্ট। 


মো. মিজানুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখার জন্য ঢাকা ট্রিবিউন কোনো ধরনের দায় নেবে না।

62
50
blogger sharing button blogger
buffer sharing button buffer
diaspora sharing button diaspora
digg sharing button digg
douban sharing button douban
email sharing button email
evernote sharing button evernote
flipboard sharing button flipboard
pocket sharing button getpocket
github sharing button github
gmail sharing button gmail
googlebookmarks sharing button googlebookmarks
hackernews sharing button hackernews
instapaper sharing button instapaper
line sharing button line
linkedin sharing button linkedin
livejournal sharing button livejournal
mailru sharing button mailru
medium sharing button medium
meneame sharing button meneame
messenger sharing button messenger
odnoklassniki sharing button odnoklassniki
pinterest sharing button pinterest
print sharing button print
qzone sharing button qzone
reddit sharing button reddit
refind sharing button refind
renren sharing button renren
skype sharing button skype
snapchat sharing button snapchat
surfingbird sharing button surfingbird
telegram sharing button telegram
tumblr sharing button tumblr
twitter sharing button twitter
vk sharing button vk
wechat sharing button wechat
weibo sharing button weibo
whatsapp sharing button whatsapp
wordpress sharing button wordpress
xing sharing button xing
yahoomail sharing button yahoomail