• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪৫ সকাল

আগ্নেয়গিরি জ্বালামুখে হাজারো মানুষ

  • প্রকাশিত ০৬:৫১ সন্ধ্যা জুলাই ১, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪১ ভোর জুলাই ২, ২০১৮
reuters-indonesia-volcano-1530449361478.jpg
উৎসর্গ অনুষ্ঠান ‘ইয়াদনিয়া কাসাদা’। ছবি: রয়টার্স

তেঙ্গার উপজাতির স্বার্থে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন রাজকুমারী রোরোর ছোট সন্তান। তারপর থেকেই উদযাপিত হয়ে আসছে উৎসবটি।

প্রতিবছর ‘ইয়াদনিয়া কাসাদা’ উৎসবে অংশ নিতে ইন্দোনেশিয়ার ব্রোমো পর্বতের আগ্নেয়গিরি জ্বালামুখে জড় হন হাজারো মানুষ। উৎসব চলাকালীন, সৌভাগ্যের আশায় পর্বত চূড়া থেকে জ্বালামুখে উৎসর্গ করা হয় ফল, ফুল, সবজি, ও জীবন্ত প্রানী। স্থানীয়দের পাশাপাশি এখন উৎসবে অংশ নেন অসংখ্য দেশী-বিদেশী পর্যটক।

‘ইয়াদনিয়া কাসাদা’ উৎসবটি মূলত ইন্দোনেশিয়ার তেঙ্গার উপজাতির অনেকদিন ধরে চলে আসা একটি উৎসর্গ অনুষ্ঠান। প্রচলিত পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, মাজাপাহিত রাজ্যের নিঃসন্তান রাজকুমারী রোরো আনতেঙ এবং তার স্বামী জোকো সেগের সন্তানের আশায় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। সে প্রার্থনার উত্তরে জানানো হয়েছিল, রাজকুমারী রোরোর গর্ভে জন্ম নিবে ২৫ সন্তান। কিন্তু, ঐ ২৫ সন্তানের ছোটজনকে উৎসর্গ করতে হবে, ব্রোমো পর্বতের আগ্নেয়গিরি জ্বালামুখে। 

পরবর্তীতে, তেঙ্গার উপজাতির স্বার্থে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন রাজকুমারী রোরোর ছোট সন্তান। তারপর থেকেই উদযাপিত হয়ে আসছে উৎসবটি। স্থানীয়রা সৌভাগ্যের আশায় শস্য ও জীবন্ত প্রাণী উৎসর্গ করেন, আর পর্যটকরা আগ্নেয়গিরি জ্বালামুখে ফেলেন ‘কয়েন’।

বছর কয়েক আগে, দেশটির সরকার এ উৎসবটিকে ‘পর্যটন আকর্ষণ’ হিসেবে প্রচারের পর থেকে, এতে পর্যটকদের অংশগ্রহণের সংখ্যা বেড়েছে।