• শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৪৬ বিকেল

‘গোঁফ পোষা আর হাতি পোষা একই কথা’

  • প্রকাশিত ০৩:৪৭ বিকেল সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৮
গোঁফ ওয়ালা আজাহার
২২ বছর গোঁফ কাটেননি আজাহার। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

তার গোফের দৈঘ্য ১৩ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৩ ইঞ্চি। তিনি আরও জানালেন, অনেকে নাকি আবার তার এই গোঁফ ও চিপ ধরে মোবাইলে সেলফিও তুলে রাখেন।

নওগাঁ শহরের লিটন ব্রিজের ধারে বিশাল বড় এক গোঁফওয়ালা ব্যক্তিকে দেখা যায় বাহারি ফল বিক্রি করতে। নাম তার আজাহার হোসেন (৫২)। বাড়ী নওগাঁ সদরের বোয়ারিয়া গ্রামে। 

যারাই এ শহরে প্রথম আসে, আজাহারকে দেখতে পেলে প্রশ্ন করে ‘এত বড় গোঁফ কিভাবে তৈরী করলেন?’ আর আজাহার তাদের একটাই উত্তর দেন, ‘গোঁফ পোষা আর হাতি পোষা একই কথা।’

আজাহার রাস্তায় বের হলে তাকে ঘিরে নানান কথায় আশ পাশ মুখরিত করে তোলেন উৎসুক মানুষ। অনেকের মনে কৌতুহল হয় এত বড় গোঁফ তিনি কেন রাখলেন! এত বড় গোঁফ রাখার রহস্য কী ? 

তার সাথে কথা বলে জানা যায়, শুধু গোঁফই নয়, এর সাথে মিল রেখে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে চুলের চিপও (জুলফি) রেখে দিয়েছেন। তার গোফের দৈঘ্য ১৩ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৩ ইঞ্চি। তিনি আরও জানালেন, অনেকে নাকি আবার তার এই গোঁফ ও চিপ ধরে মোবাইলে সেলফিও তুলে রাখেন। 

তবে মানুষের কৌতুহলী দৃষ্টিতে তিনিও কিছুটা বিব্রত। আজাহার হোসেন বলেন, ‘আমি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে গোঁফ ও চিপ কাটি না। এই গোঁফ ও চিপের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২৩০-২৮০ টাকা সেলুনে খরচ হয়। তাছাড়াও প্রতিদিন হেয়ার জেল, কন্ডিশনার ও শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হয়। সব মিলে মাসে ২৫০০-২৭০০ টাকা খরচ হয়।’ 

১০ দিন পর-পর চিরুনী বদলাতে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক কথায় গোঁফ পোষা আর হাতি পোষা একই কথা।’