• বুধবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৫ রাত

‘চাঁদের পিরামিডে’ লুকানো সুড়ঙ্গ, রহস্যের সন্ধানে গবেষকরা

  • প্রকাশিত ১২:২১ দুপুর অক্টোবর ২৭, ২০১৮
পিরামিড অব মুন। ছবি :  এএফপি
পিরামিড অব মুন। ছবি : এএফপি

গবেষকরা জানান, ওই সুড়ঙ্গে সঙ্গে টলটেক সভ্যতার হিসেবে ‘পবিত্র পানির ঝরণা’ ও ‘প্রেতলোকের’ সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।  

পিরামিড মানেই মানুষের কাছে হাজার হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস, অনেক রহস্য আর উত্তর না মেলা প্রশ্নের তালিকা। এই উৎসাহ থেকে মানুষের পিরামিড সম্পর্কে জানার আগ্রহের শেষ নেই। আর মানুষকে নতুন তথ্য জানানোর জন্য থেমে থাকেন না গবেষক ও প্রত্নতত্ত্ববিদরা। 

উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে এমনই এক পিরামিডে নতুন রহস্যের সন্ধানে নেমেছেন গবেষকররা। চাঁদের পিরামিড (পিরামিড অব মুন) নামের ওই পিরামিডে মিলেছে নতুন এক সুড়ঙ্গের সন্ধান পেয়েছেন তারা। ধারণা, ওই সুড়ঙ্গে মিলবে অবাক করা অনেক কিছুই।       

সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, মেক্সিকোর তিওতিহুয়াকান একালায় ওই পিরামিড অবস্থিত। যিশু খ্রিস্টের জন্মের ২০০ বছর পরে সেটি নির্মিত বলে ধারণা করা হয়। ওই অঞ্চলে অ্যাজটেক সংস্কৃতির পত্তন ঘটার আগে টলটেক সভ্যতার মানুষদের হাতে গড়া পিরামিডটি। ২০১৭ সাল থেকে নতুন এই সুড়ঙ্গের সন্ধান চলছিল। অবশেষে মাটির আট মিটার গভীরে খোঁজ মিলল সেটির। 

মেক্সিকোর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যানথ্রোপোলজি অ্যান্ড হিস্টোরি এসব তথ্য জানিয়েছে।

এই প্রকল্পের প্রধান ভেরোনিকো অর্তেগা জানান, নতুন এই সুড়ঙ্গে অনুসন্ধানের ফলে ওই সময়ের অনেক আচার-আচারণের তথ্য মিলবে। এমনকি সে সময়ের মমি, কংকালের ও অলঙ্কারের খোঁজ মিলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ, এর আগে সন্ধান পাওয়া সুড়ঙ্গ থেকেও মিলেছিল এমন অনেক রহস্যময় সন্ধান।   

এর আগে গবেষকরা জানান, ওই সুড়ঙ্গে সঙ্গে টলটেক সভ্যতার হিসেবে ‘পবিত্র পানির ঝরণা’ ও ‘প্রেতলোকের’ সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।  

চাঁদের পিরামিডটি সাত ধাপে নির্মিত। কয়েকশ বছরে শেষ হয় এসব ধাপ নির্মাণের কাজ। প্রথম ধাপটি খ্রিস্টের জন্মের ১০০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়। আর সপ্তম ধাপের কাজ শেষ হয় ৪৫০ সালের দিকে। 

সুড়ঙ্গ অভিযানে গবেষকরা ব্যবহার করছেন বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি। নতুন রহস্যের করা হয়েছে সিটি স্ক্যান।  এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যানথ্রোপোলজি অ্যান্ড হিস্টোরির ডেনিসি আর্গোতে।