• বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৪২ রাত

কতটুকু চাপে আছেন বলে দেবে এই ছবি?

  • প্রকাশিত ১০:৩৯ রাত জানুয়ারী ১০, ২০১৯
সদসদ

একজন লিখেছেন, "আমার প্রেমিকাকে ছবিটি দেখানোর পর সে বললো, 'এটি এতো দ্রুত নড়ছে কেন।' আমি এখন তাকে কী জবাব দেবো?"

মানুষের জীবনে নানা বিষয়ের চাপ থাকে। পড়াশোনা, চাকরি, সাংসারিক জীবন সব কিছুর চাপ সামলিয়েই চলতে হয় আমাদের। কিন্তু কতোটুকু চাপে আছি আমরা-তা কি জানি?  সম্প্রতি ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া এক ছবিতে এ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গেছেন অনেকেই। ছবিটি মূলত একটি দৃষ্টিভ্রম। তবে হয়েছে হিতে বিপরীত। ছবি দেখে নতুন করে তাদের চাপে পড়তে হয়েছে।  

কিন্তু ছবি দেখে কীভাবে চাপ মাপা যাবে? ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন পোস্টগুলোতে বলা হয়েছে, এ জন্য আপনাকে সেটির দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে হবে। ছবিটি যদি নড়াচড়া না করে, তাহলে আপনি চাপমুক্ত। আর সামান্য নড়লে অল্প চাপে আছেন আপনি। কিন্তু সেটি যদি চরকি বা ঘুর্ণয়মান দোলনার মতো ঘুরতে থাকে তাহলে সাবধান! এখন আপনাকে নিতে হবে চাপমুক্তির জন্য ব্যবস্থা।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির জানায়, ছবিটি বানিয়েছেন জাপানের নিউরোলজিস্ট ইয়ামামোতো হাসিমা। কিন্তু পরে স্নুপস ডটকমের অনুসন্ধানে উঠে আসে ছবিটি আদতে তৈরি করেছেন ইউরি পেরেপাদিয়া নামের ইউক্রেনের এক ব্যক্তি।      

 





View this post on Instagram

 








I drew this optical illusion in Adobe Illustrator on September 26, 2016. To create it, I used the effect of Akioshi Kitaoka. This is a white and black stroke on a colored background, this is a white and black stroke on a colored background, which sets in motion the focus of vision and it seems to a person that the details of the image are moving. Japanese psychotherapist Yamamoto Hashima has nothing to do with this picture. Moreover, Yamamoto Hashima does not really exist. Google to help. А теперь на русском. Эту оптическую иллюзию я нарисовал в Адобе Иллюстраторе 26 сентября 2016 года. Для ее создания я использовал эффект Акиоши Китаока - это белая и черная обводка на цветном фоне, которая приводит в движение фокус зрения и человеку кажется что детали изображения движутся. Японский психотерапевт Ямамото Хашима не имеет никакого отношения к этой картинке. Более того, Ямамото Хашима не существует на самом деле. Погуглите ради интереса.

A post shared by  Yurii Perepadia (@yuryfrom) on


এ বিষয়ে ইনস্টাগ্রামে ইউরি পেরেপাদিয়া জানান, ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি ছবিটি এঁকেছিলেন। তিনি ইন্টারনেটে পরে সেটি ছড়িয়ে পড়তে দেখেন। সেখানে শিল্পী হিসেবে ইয়ামামোতো হাসিমার উল্লেখ করা হয়। 

ইউরি আরও বলেন, ইয়ামামোতো হাসিমা নামে আসলে কেউ নেই। বিষয়টি তিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন। আর ছবিটি দিয়ে কোনো চাপ পরিমাপ করা যায় না। এটি স্রেফ গুজব। 

তবে গুজব হোক আর না হোক, ছবিটি নিয়ে ইন্টারনেটে মজা করেছেন অনেকেই। একজন লিখেছেন, 'আমি আসলেই মানসিকভাবে অসুস্থ। ছবিটির দিকে তাকানোর সঙ্গে সঙ্গে সেটি চরকির মতো ঘুরছিল।'

আরেকজন লিখেছেন, "আমার প্রেমিকাকে ছবিটি দেখানোর পর সে বললো, 'এটি এতো দ্রুত নড়ছে কেন।' আমি এখন তাকে কী জবাব দেবো?"