• রবিবার, জুলাই ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩৭ বিকেল

এবার মঙ্গলে উড়বে হেলিকপ্টার!

  • প্রকাশিত ০৮:০১ রাত মার্চ ১৮, ২০১৯
মঙ্গলে উড়বে হেলিকপ্টার
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র দেড় মিনিট উড়েই মঙ্গলের বিভিন্ন এলাকার চেহারা ও ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা দেবে ওই হেলিকপ্টার 

কেবল পৃথিবীই নয়, এবার থেকে মঙ্গল গ্রহেও উড়বে হেলিকপ্টার। এমনকি পৃথিবীত যে গতিবেগে ঘোরে, তারও ১০ গুণ গতিবেগে ঘুরবে হেলিকপ্টারটির পাখা বলেই দাবি নাসা’র। সম্প্রতি আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্যই উঠে এসেছে।

২০১৩ সালে থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হওয়া বিশেষ এ হেলিকপ্টারটি মঙ্গল গ্রহে প্রবেশ করলেই স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠবে। এ তথ্য আনন্দবাজারকে নিশ্চিত করেন নাসার ‘রেভোলিউশনারি ভার্টিকাল লিফ্‌ট টেকনোলজি (আরভিএলটি)’-র ম্যানেজার সুজান গর্টন । 

গর্টন বলেন, “আপাতত একটি হেলিকপ্টার পাঠানো হচ্ছে মঙ্গলে। নাসার ‘মার্স-২০২০’ অভিযানে। সেটা মোট ৫ বার ওড়ানো হবে লাল গ্রহে। প্রতি বার উড়বে দেড় মিনিটের জন্য। সেই হেলিকপ্টারে থাকবে খুব শক্তিশালী ক্যামেরা।” 

তিনি আরো বলেন, ‘‘মঙ্গলের মাটিতে নামা কোনও ল্যান্ডার বা তার মাটি চষে বেড়ানো কোনও রোভারের পক্ষে যা কখনওই সম্ভব নয়, দেড় মিনিট উড়েই সেই কাজটা করবে ওই হেলিকপ্টার। মঙ্গলের পিঠে বিভিন্ন এলাকার চেহারা, অতীতের ইতিহাস তারা কী ভাবে কতটা বলে দিতে পারছে, সেটা বোঝার চেষ্টা করবে ওই হেলিকপ্টার।’’

তবে হেলিকপ্টার যেখানে উড়বে, বায়ুমণ্ডল সেখানে প্রায় নেই বললেই চলে। এমন প্রশ্নের জবাবে নাসার ঐ গবেষক বলেন, ‘‘মঙ্গল পৃষ্ঠের ১৫ ফুট উপরে যেখানে ওই হেলিকপ্টার ওড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের, সেখানকার বায়ুমণ্ডলের স্তর অত্যন্ত পাতলা। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১ লক্ষ ফুট উচ্চতায় বায়ুমণ্ডল যতটা পাতলা হয়, মঙ্গলে পাঠানো হেলিকপ্টারও উড়বে তেমনই পাতলা বায়ুমণ্ডলের স্তরে। কাজটা মোটেই সহজ নয়।’’

এছাড়াও হেলিকপ্টারটির মাথায় থাকবে থাকবে সৌর প্যানেল। যা সূর্যের আলোকে টেনে নিয়ে হেলিকপ্টারের মধ্যে থাকা ব্যাটারিগুলিকে সচল রাখতে ভূমিকা রাখবে। আর এই ব্যাটারিই সচল রাখবে রোটর ব্লেডগুলিকে। হেলিকপ্টারটি দেখতে কিছুটা একটি বলের মতো হবে। তবে ৪ পাউন্ডের বেশি এর ওজন হবেনা। 

আপাতত একটি হেলিকপ্টার পাঠানো হচ্ছে, পরবর্তীতে এটি সফল হলে, বিভিন্ন অভিযানে এমন আরও অনেক হেলিকপ্চার পাঠানো হতে পারে বলে বলেও ঐ প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়েছে।