• শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৪ রাত

হানিমুনে গিয়ে কিপটেমি করায় স্বামীকে ডিভোর্স!

  • প্রকাশিত ০৬:৪৭ সন্ধ্যা এপ্রিল ১১, ২০১৯
ডিভোর্স
প্রতীকী ছবি

সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলে হানিমুন শেষ হওয়ার আগেই ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

বিয়ের পরে বিচ্ছেদ একেবারে সাধারণ ঘটনা না হলেও অবাক করার মতো কোনও বিষয় নয়। তবে এক্ষেত্রে কিছুটা সময় নেন দম্পতিরা। সময়ের ব্যবধানে তিক্ততার মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে তবেই আসে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত। তবে হানিমুনে গিয়ে কিপটেমি করায় স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক নারী। ওই নারীর অভিযোগ, হানিমুনে গিয়ে সস্তা জিনিসে আকর্ষণ এবং সবকিছুর বিল তাকে দিয়ে পরিশোধ করছিলেন তার স্বামী।

মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদপত্র আল বাইয়্যার এক প্রতিবেদনে ওই নারীর নাম উল্লেখ না করে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত সম্পর্ক সংক্রান্ত আবু ধাবির আদালতে ডিভোর্স চেয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন ওই নারী। তার বর ইরানের নাগরিক। যদিও কাগজকলমে এখনও তাদের হানিমুন চলমান।

ওই নারী জানান, স্বামী তার চেয়ে বয়সে তের বছরের ছোট। সে সবকিছুর খরচ স্ত্রীকে দেওয়ার জন্য বলতো। বাদ ছিল না মুদি দোকান, বিদ্যুৎ আর পানির বিলও।

এমন কঞ্জুস স্বামীর কবল থেকে মুক্তি পেতে একরকম মরিয়াই হয়ে উঠেছিলেন ওই নারী।

কারণ, ভদ্রলোকের এমন কিপটেমির অভ্যাস একেবারেই নতুন নয়। তার অভিযোগ, ব্যক্তিগত কাগজপত্র 'কঞ্জুস' স্বামী সব ইউটিলিটি বিল রেজিস্ট্রি করিয়েছিলেন স্ত্রীর নামে।

এমনকি, বিয়েতে এক পয়সাও খরচ করেননি অভিযুক্ত স্বামী। উপরন্তু, ঘরের সব আসবাবপত্র নিজ খরচে কিনেছিলেন তার স্ত্রী। তবুও তিনি স্ত্রীকে তাচ্ছিল্য করতেন। সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলে হানিমুন শেষ হওয়ার আগেই ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

তবে এর চেয়েও সংক্ষিপ্ত সময়ে ডিভোর্সের ঘটনা শোনা গেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের তিন মিনিটের মাথায় কুয়েতের এক নারী তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছিলেন 'বোকা' বলায়।