• বুধবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩২ সকাল

শিক্ষাখাতে অধিকতর বরাদ্দ চান এশিয়ার বামপন্থী ছাত্রনেতারা

  • প্রকাশিত ০৭:৪৪ রাত সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯
গোলটেবিল ঢাকা ট্রিবিউন
ঢাকা ট্রিবিউন আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে আয়োজকদের সঙ্গে এশিয়ার কয়েকটি দেশের বামপন্থী ছাত্রনেতারা রাজীব ধর ঢাকা ট্রিবিউন

ঢাকা ট্রিবিউন আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তারা

শিক্ষাখাতে নিজ নিজ দেশের জাতীয় বাজেটে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে অধিকতর বরাদ্দ দেওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন এশিয়ার কয়েকটি দেশের বামপন্থী ছাত্রনেতারা। তাদের অভিযোগ, শিক্ষাক্ষেত্রে দেশগুলোর সরকার অমনোযোগী এবং এক্ষেত্রে বাজেট আশানুরূপ নয়।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা ট্রিবিউন আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তারা।

এতে অংশ নেন- অল নেপাল ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টুডেন্ট ইউনিয়ন (এএনএনআইএসইউ), সোশ্যালিস্ট পার্টি অব মালয়েশিয়া (পিএসএম), শ্রীলংকার সোশ্যালিস্ট স্টুডেন্টস ইউনিয়ন, লিগ অব ফিলিপিনো স্টুডেন্টস এবং বাংলাদেশ থেকে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ছাত্রনেতারা।

গোলটেবিল বৈঠকে লিগ অব ফিলিপিনো স্টুডেন্টসের মুখপাত্র কারা লেনিনা তাগ্গাওয়া জানান, তার দেশের সরকার জিডিপির মাত্র ২-৩ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয় করে।

তিনি বলেন, “ফিলিপাইনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মাত্র আট শতাংশ বেসরকারি। কিন্তু শিক্ষাখাতে বরাদ্দের বেশিরভাগই ব্যয় হয় এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য।”

সোশ্যালিস্ট স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব শ্রীলঙ্কার কার্যকরী সদস্য শানিকা সিলভা বলেন, তার দেশে জিডিপির ২ শতাংশেরও কম শিক্ষাখাতে ব্যয় করা হয়।

তিনি জানান, “আমাদের দাবি জিডিপির ৬ ভাগ শিক্ষাখাতে ব্যয় করা হোক। কিন্তু সরকার যতটুকু বরাদ্দ রেখেছে তা যথেষ্ট নয়।”

সোশ্যালিস্ট পার্টি অব মালয়েশিয়ার (পিএসএম) তরুণ সদস্য ভেনুশা প্রিয়া বলেন, “এককথায় বললে মালয়েশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা ভালো। কিন্তু এ বছর সরকার শিক্ষাখাতে বরাদ্দ কমিয়ে এনেছে।”

মালয়েশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা ভালো মনে হলেও বাজেট সন্তোষজনক নয় এবং সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে যথেষ্ট মনোযোগী নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

নেপালের সরকারি দল সমর্থিত অল নেপাল ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টুডেন্ট ইউনিয়নের ন্যাশনাল সেক্রেটারি (এএনএনআইএসইউ) গজেন্দ্রা প্রসাদ দেব জানান, তাদের দেশে জাতীয় বাজেটের ১০ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয় করে সরকার। তাদের দাবি এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা।

তিনি বলেন, “আমরা এই বরাদ্দে সন্তুষ্ট নই।”

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয় বলেন, “দিন দিন শিক্ষা ব্যয় বাড়ছে। সরকার জাতীয় বাজেটের মাত্র ২ দশমিক দুই শতাংশ শিক্ষাখাতে খরচ করে। ২৮টি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা বরাদ্দও শিক্ষাখাতে অন্তর্ভুক্ত।”