• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৫৪ দুপুর

ফেইজ্যান্ট দ্বীপ, যেখানে রাজত্ব করে দুই দেশ

  • প্রকাশিত ০১:৪৭ দুপুর জানুয়ারী ৬, ২০২০
ফেইজ্যান্ট দ্বীপ
স্পেন ও ফ্রান্সের মাঝখানে অবস্থিত ফেইজ্যান্ট দ্বীপ। সংগৃহীত

সাড়ে তিনশো বছর ধরে এই রীতি চলে আসছে

ফেইজ্যান্ট দ্বীপের নাম শুনেছেন কখনও? যে দ্বীপে বছরের ৬ ‌মাস থাকে ফ্রান্সের রাজত্ব, আর বাকিটা সময় স্পেনের রাজত্ব। এক কিংবা দু’‌বছর নয়। পাক্কা সাড়ে তিনশো বছর ধরে এই রীতি চলে আসছে।

ছোট এই দ্বীপের দৈর্ঘ্য মাত্র ২০০ মিটার আর প্রস্থ ৪০ মিটার। তবে এর মূল বৈশিষ্ট হলো বছরের অর্ধেকটা সময় দ্বীপটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্পেন, বাকি সময় ফ্রান্স। ফ্রান্স ও স্পেনের নাগরিকরা এই দ্বীপটিকে চেনেন ফরাসি দ্বীপ নামে।

ফ্রান্স ও স্পেনকে দুইভাগে বিভক্ত করেছে বিদাসো নদী। আর এই নদীর ঠিক মাঝখানে অবস্থিত ফেইজ্যান্ট দ্বীপ। তাই দ্বীপটিতে দুইদেশেরই সমানভাবে অধিকার রয়েছে। তবে তারা দ্বীপটিকে সীমান্ত দিয়ে ভাগ করেনি। বরং বছরের অর্ধেকটা সময় ফ্রান্স এবং বাকি সময় স্পেন এতে রাজত্ব করে। প্রতিবছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই অবধি দ্বীপটি থাকে স্পেনের অধীনে। বছরের বাকিটা সময় থাকে ফ্রান্সের অধীনে।

জানা যায়, ১৬৫৯ সালে দ্বীপটিতে কর্তৃত্ব নিয়ে ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধার সম্ভাবনা দেখা দেয়। তখন বিষয়টি নিয়ে তিনমাস আলোচনার পর দেশ দুটির মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি হয়। যা পেরেনিস চুক্তি নামে পরিচিত। তবে চুক্তিটি পাকাপোক্ত এবং সুসম্পন্ন হয় যখন ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুই স্পেনের চতুর্থ রাজা ফিলিপের মেয়েকে বিয়ে করেন। এরপর থেকেই দুই দেশ দ্বীপটিকে ভাগ করে রাজত্ব করছে।

তবে, দু'টি আলাদা আলাদা দেশের মাধ্যমে দ্বীপটি পরিচালিত হলেও সেখানে কোনও রকম অশান্তি নেই। বরং দ্বীপটি সবসময় পাহারা দেওয়া হয়।