• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১০ সকাল

যত্রতত্র ফেলা প্লাস্টিকে বিপর্যস্ত বান্দরবানের প্রাকৃতিক পরিবেশ

  • প্রকাশিত ০২:৩৩ দুপুর ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০
প্লাস্টিক-বান্দরবান
বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রির পাথুরে নদীতে যত্রতত্র পড়ে রয়েছে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যাগ ঢাকা ট্রিবিউন

শহরের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ডাস্টবিন থাকলেও, উপজেলাগুলোর পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোন জায়গাও নেই

নৈসর্গিক প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটকের উপস্থিতি দেখা গেলেও অসেচতনতার কারণে নষ্ট হচ্ছে বান্দরবানের পর্যটন স্পটগুলোর প্রাকৃতিক পরিবেশ।

থানচি উপজেলার বেশকয়েকটি উল্লেখযোগ্য পর্যটন স্পটে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, যেখানে সেখানে পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতলসহ চিপসের প্যাকেট পড়ে রয়েছে ।

এমনকি মেঘলা, নীলাচলসহ জেলাশহরটির বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্রে আবর্জনা ফেলার জন্য ডাস্টবিন থাকলেও, উপজেলাগুলোর পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে কোনো ডাস্টবিনও নেই। 

বেশিরভাগ পর্যটকই সাঙ্গু নদী পথে বান্দরবানের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র থানচি উপজেলার নাফাখুম, রেমাক্রি, বড় পাথর, ছোট মদক, বড় মদক ও রুমা উপজেলার রিঝুকে যান। পর্যটকদের ফেলে দেওয়া এসব প্লাস্টিকের কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে নদীটির জ্বলজ ও উদ্ভিজ্জ প্রাণীরা।

গত ২৭ জানুয়ারি  বান্দরবান শহরের নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে যান চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্ত্রী। এসময় তারা পুরো নীলাচল জুড়ে প্লাস্টিক ও কাগজ ফেলে রেখে চলে যায়। এ কারণে জেলাটির স্থানীয়রা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদও করে সাধারণ জনগণ।

এ প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজীব রাহাত নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, “পর্যটকরা যেভাবে নীলাচলকে নোংরা করেছে, সৌন্দর্য বাজায় রাখার শিক্ষাটা না থাকলে কোনও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা সফরে আসা উচিত নয়।”

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক মৃদুল জানান, উপজেলার কিছু কিছু পর্যটন স্পট আমরা প্রাকৃতিকভাবেই রাখতে চাই, যেখানে কোনও অবকাঠামো নির্মাণ করা হবেনা। তবে এই বিষয়ে পর্যটকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।