Friday, June 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এক প্লেট ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ১৭ হাজার টাকা!

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে সেরেন্ডিপটি রেঁস্তোরায় বিশ্বের সবচেয়ে দামী ‘ক্রিম দে লা ক্রিম পোমে ফ্রেইটস’ বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর দামটা এরকম অস্বাভাবিক হলেও বিশেষ এই খাবারটি কেনার লোকেরও অভাব নেই

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২১, ০৭:০৬ পিএম

কম বেশি সকলেই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে পছন্দ করেন। কোনো রেঁস্তোরায় স্ন্যাকস জাতীয় খাবার খাওয়ার কথা আসলেই প্রথমেই এ তালিকায় আসে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর নাম। কিন্তু এক প্লেট ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর দাম কতো হতে পারে? নিউইয়র্কের একটি রেঁস্তোরায় এক প্লেট ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর দাম ২০০ ডলার বা ১৭ হাজার টাকা!

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে সেরেন্ডিপটি রেঁস্তোরায় বিশ্বের সবচেয়ে দামী ‘ক্রিম দে লা ক্রিম পোমে ফ্রেইটস’ বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর দামটা এরকম অস্বাভাবিক হলেও বিশেষ এই খাবারটি কেনার লোকেরও অভাব নেই। বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফ্রেঞ্চ ফ্রাই হিসেবে ইতোমধ্যে এর নাম উঠেছে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

এই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির প্রক্রিয়া ও উপকরণ আর পাঁচটি সাধারণ রেঁস্তোরার মত নয়। সুগন্ধির জন্য এতে ব্যবহার করা হয় বিলাসবহুল উপকরণ ট্রাফেল আর আলু গুলো বাছাই করা। তিন দফায় আলু ভাজার জন্য ব্যবহার করা হয় রাজহাঁসের চর্বি। পরিবেশনে ব্যবহার করা হয় ২৩ ক্যারেট স্বর্ণের গুড়া। সব উপাদান বিরল ও বিলাসবহুল বলে তাৎক্ষণিকভাবে এ ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পাওয়ার সুযোগ নেই। অর্ডার দেওয়ার পর অপেক্ষা করতে হয় কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত। গাঢ় চিজে ডুবানো সসের সাথে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাবারের আভিজাত্য বুঝি একেই বলে। সেরেন্ডিপটি রেঁস্তোরায় এই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পরিবেশনও করেছিল রাজকীয় কায়দায়।

গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটন সিটির সেরেন্ডিপটি নামের একটি ফাস্ট ফুড রেস্তোরাঁয় তৈরি করা হয়েছে এটি। আর এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ক্রিম দে লা ক্রিম পোমে ফ্রেইটস’।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সেরেন্ডিপটি রেস্টুরেস্ট জানায়, তারা এই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরিতে বিভিন্ন উপাদানের পাশাপাশি ব্যবহার করেছে ২৩ ক্যারেট সোনার ধুলো।

উল্লেখ্য, সেরেন্ডিপটি রেঁস্তোরার এরকম বিলাসিতা নিয়মিত গ্রাহকদের কাছে নতুন নয়। সর্বোচ্চ দামের আইসক্রিম, কেক, কফি কিংবা বার্গারের রেকর্ডও আছে তাদের। গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তাদের আরও ৯ টি রেকর্ড আছে। এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওয়েডিং কেক, দামি বার্গার এবং দামি কফি সবই। ৬৭ বছর ধরে তারা গর্বের সাথে তাদের স্থান ধরে রেখেছে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে ১ বছরের বেশি সময় বন্ধ ছিলো এই রেঁস্তোরাটি।


About

Popular Links