Saturday, June 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

যে কারণে আপেল খেয়ে আপনার দিন শুরু করা উচিত

বিশেষভাবে উপকারী হওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং পুষ্টিবিদরা সবাইকে প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৫৩ পিএম

আপেল নিয়ে অনেক পুরোনো একটি প্রবাদ রয়েছে- প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়ার অভ্যাস আপনাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া থেকে দূরে (পড়ুন বিরত) রাখে। মূলত রোগবালাই থেকে মুক্ত রাখতে আপেলের উপকারী দিক বুঝাতেই এই প্রবাদটির অবতারণা। 

অতি পরিচিত এই ফলটি উপাদেয় খাদ্যের মধ্যে অন্যতম। সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষভাবে উপকারী হওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং পুষ্টিবিদরা সবাইকে প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হেলথ লাইন ডট কমের মতে, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আপেল সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। কারণ পুষ্টিকর এ ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং পানি রয়েছে। সেই সঙ্গে আপেলে রয়েছে পলিফেনল, যা রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া, ফলটিকে হৃৎপিণ্ডের জন্যও উপকারী বলে থাকেন অনেকে।

এছাড়া, আপেল টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। পাশাপাশি পেকটিন নামক এক ধরণের প্রিবায়োটিক উপাদানের উপস্থিতির কারণে সুমিষ্ট ফলটি অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতেও সহায়তা করে।

উপরোক্ত তথ্যও যদি আপনাকে আপেলের উপকারী দিক বোঝানোর জন্য যথেষ্ট না হয় তাহলে জেনে রাখুন, ভারতের নামকরা পুষ্টিবিদ নমামি আগরওয়ালও সকালে ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পরেই আপেল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ উপাদেয় এই ফলটি আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য বিস্ময়করভাবে ভূমিকা রাখতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পুষ্টিবিদ নমামি আগরওয়াল জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠেই অনেকে এক কাপ কফি পান করে থাকেন। কিন্তু কফির পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর কিছু মুখে দিয়ে দিন শুরু করাই বরং উত্তম। সেই স্বাস্থ্যকর কিছু হতে পারে একটি আপেল।

নমামি আগরওয়াল বলেন, “আপেলে ক্যাফেইন থাকে না। কিন্তু আপেলে থাকা প্রাকৃতিক চিনি আপনাকে নিদ্রাভাব থেকে সকালে আড়মোড়া ভেঙে জাগাতে ভূমিকা রাখে। সেই সঙ্গে আপেলের প্রাকৃতিক চিনি সারাদিনের কর্মব্যস্ততার মধ্যেও আপনাকে শক্তি যুগিয়ে যাবে। তাছাড়া, আপেলে বিদ্যমান ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রার ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে।”

তবে আপনি যদি কাঁচা অবস্থায় আপেল খেতে অনিচ্ছুক হন, তাহলে সেটিকে স্মুদিতে পরিণত করতে পারেন অথবা সালাদ তৈরির একটি উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপেল, গাজর এবং বিটরুট দিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় তৈরি করা যেতে পারে। দিনে অন্তত একবার এ পানীয় পান করলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং ত্বকের স্নিগ্ধতা বাড়াতে কাজ করবে।

About

Popular Links