Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভারতে যৌন বিকৃতির কারণ হয়ে উঠছে স্মার্টফোন!

বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করছেন, মোবাইলে সহিংস ভিডিও দেখার মধ্য দিয়েই ভারতীয় বহু পুরুষের ক্ষেত্রেই  যৌনতার সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে।

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:৫২ পিএম

সম্প্রতি ভারতে  ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার মত ঘটনা ঘটছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, অনেকেই বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, স্মার্ট-ফোনের মধ্য দিয়ে সহিংসতায় ভরা পর্ণ ভিডিও এবং যৌনতা সম্পর্কে শিক্ষার অভাব এ ঘটনাগুলোর পেছনে অন্যতম কারণ।

বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করছেন, মোবাইলে সহিংস ভিডিও দেখার মধ্য দিয়েই ভারতীয় বহু পুরুষের ক্ষেত্রেই  যৌনতার সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে। এ প্রসঙ্গে যৌনতা বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করা ‘এজেন্টস অব ইশক’ নামক একটি প্ল্যাটফর্মের পরিচালক লেখক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক  পারমিতা ভোহরা বলেন, "আমাদের বেড়ে ওঠার সময় যৌন শিক্ষা দেয়া হয়নি কিংবা এসব বিষয়ে স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক আলাপও হয়নি।"

সাম্প্রতিক সময়ে ভারত সরকার এই অবস্থা বদলানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হায়দ্রাবাদ জেহানাবাদের একটি গার্লস স্কুলের অধ্যক্ষ জানালেন এই কর্মসূচি সম্পর্কে তার কোন ধারনাই নেই। অথচ সম্প্রতি জেহানাবাদের এক তরুণীর সম্ভ্রমহানির একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে হোয়াটস অ্যাপে। 

এ প্রসঙ্গে যৌন সহিংসতা এবং পাচার প্রতিরোধে কাজ করা প্রজ্বলা নামক সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সুনীতা কৃষ্ণাণ বলছেন, এই ধরনের হিংসাত্মক ভিডিওগুলো ভারতের সমাজে প্রচলিত প্রাচীন বিশ্বাসকে আবারও সামনে তুলে ধরছে যে, একজন নারীর পছন্দ-অপছন্দ গুরুত্বহীন এবং তার কোন কর্তৃত্ব নেই।

বিবিসির ঐ প্রতিবেদনে আরো জানা গেছে, উগ্র পর্নোগ্রাফি রয়েছে এমন ওয়েবসাইটের ওপর ২০১৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশনা দেয় স্থানীয় একটি আদালত। তবে এই নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র সহিংসতা কিংবা আপত্তিকর ভিডিও রয়েছে এমন মাত্র ৮শ’র মতো ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলেও প্রতিবেদনটিতে জানা গেছে।







About

Popular Links