Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সন্ধ্যা ৭টার পরে যে পাঁচ কাজ বদলে দেবে জীবন

এই কাজগুলো আপনার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে, তেমনি হতে পারে ভবিষ্যতের সুখের গোপন অস্ত্রও

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:১৬ পিএম

আমাদের জীবন যেন এক রঙ্গমঞ্চ; আর আমরা সেখানে একেকটি চরিত্র। যদিও অপ্রাপ্তি বলে কিছু না থাকলে আপাতদৃষ্টিতে জীবনকে পরিপূর্ণ বলেই মনে হয়। তবে সন্ধ্যা ৭টার পর পাঁচটি কাজ আপনার জীবনে নিয়ে আসতে পারে ইতিবাচক পরিবর্তন। এমনকি ভবিষ্যতের সুখী জীবনের গোপন অস্ত্রও হতে পারে এই পাঁচটি কাজ।

চলুন তাহলে জেনেই সন্ধ্যা ৭টার পর কোন পাঁচটি কাজ জীবনকে বদলে দিতে পারে-

বিগত দিনটি নিয়ে ভাবুন

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া দিনটি নিয়ে কিছুক্ষণ চিন্তা করুন। যে ব্যাপারগুলো আপনার মুখে হাসি ফুটিয়েছে কিংবা যেসব জিনিস আপনাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে, সেগুলো নিয়ে ভাবুন। চলে যাওয়া দিন নিয়ে ভাবনার ব্যাপারটি আপনার জীবনের একটি মানসিক স্ন্যাপশটের মতো। এই ভাবনা থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা আপনাকে সামনের দিনগুলোর জন্য শিক্ষা দেবে এবং সমৃদ্ধশালী করবে।

পেশাগত কাজ এবং স্ক্রিন থেকে দূরত্ব

কর্মব্যস্ত দিনের পর সন্ধ্যা থেকে রাতে বিছানায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিউজফিড স্ক্রল কিংবা নেটফ্লিক্সের মতো ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কন্টেন্ট না দেখলে যেন আমাদের চলেই না। কিন্তু এমনটা করা একদমই অনুচিত। কারণ স্ক্রিনের নীল আলো আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এতে ঘুমের চক্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ঘুমানোর অন্তত এক ঘন্টা আগে সব ধরনের স্ক্রিন থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। এর পরিবর্তে বই পড়ুন এবং কুসুম গরম পানিতে গোসল করে নিন।  হাল্যকা যোগব্যায়াম অনুশীলন করতে পারেন। 

আগামীকালের পরিকল্পনা করুন

ঘুম থেকে ওঠার পরই সারাদিনের কাজের তালিকা নিয়ে বসাটা যে কারও জন্যই মানসিক চাপের। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেই অনাগত আগামীকালের পরিকল্পনা সাজিয়ে নেন। পরদিনের করণীয় কাজগুলোর তালিকা সাজানো খুব সময়সাপেক্ষ কোনো ব্যাপার না। কয়েক মিনিট সময় নিয়েই কাজটি করে ফেলা যায়। কোন কাজগুলো আগে করবেন, কোনগুলো পরে করলেও চলবে, সেই সময়সূচি নির্ধানণ করে নিন। এতে যেমন আপনার মানসিক চাপ কমবে, তেমনি পরদিনের সকালটাও হবে অনিন্দ্যসুন্দর।

গভীরভাবে দম নিন

গভীর শ্বাস নিন, নাক দিয়ে লম্বা শ্বাস টেনে মুখ দিয়ে বের করুন। অনেকে হয়তো শুনে অবাক হতে পারেন। কিন্তু এটি সত্যি যে এই প্রক্রিয়া স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে ও মানসিক চাপ কমায়। তাছাড়া, ঘুমের সময় প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণ মানসিকতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। মানসিক অশান্তি থেকে দূরে থাকতে মেডিটেশন করুন এবং ঘুমের নির্বিঘ্নতা নিশ্চিত করুন।

নিজের যত্ন নিন

সারাদিনের কর্মব্যস্ত দিনের পর রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে নিজের জন্য কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখুন। নিজের যত্ন নেওয়াটা অত্যাবশ্যক, এখানে কোনো গাফেলতির সুযোগ নেই। নিজের প্রতি যত্নের অংশ হিসেবে বই পড়ুন অথবা ত্বকের যত্নে ফেস মাস্ক ব্যবহার করুন। এসবের মাধ্যমে যেমন আপনার মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হবে, তেমনি পরের দিনের জন্যও ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস পাবেন।

About

Popular Links