Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বসের সব কথায় ‘সহমত’ হতে পারছেন না?

  • মানুষভেদে চিন্তাভাবনা আলাদা
  • সরাসরি বসের মতের বিপক্ষে গেলে হিতে-বিপরীত হতে পারে
  • নিজের মতামত জানান কৌশলে
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:০১ পিএম

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটা বড় সময় কাটে কর্মক্ষেত্রে। তাই ব্যক্তিগত জীবনেও রয়েছে কর্মক্ষেত্রের বড় প্রভাব। আর আজকাল তো অধিকাংশ মানুষই মানসিক অবসাদে ভুগছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনেও বড় রকমের প্রভাব রাখছে কর্মক্ষেত্র।

কর্মক্ষেত্রে যেসব বিষয় আমাদের মনের ওপর বেশি চাপ ফেলে, তার মধ্যে অন্যতম হলো; বসের সঙ্গে মতের অমিল।

বসের সব কথাই আমাদের মনের মতো হবে, এমনটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। মানুষভেদে চিন্তাভাবনা আলাদা হবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে নিজের অনিচ্ছায় বসের সব মতামত মেনে নেওয়াটা হতে পারে আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই, আপনি যে বসের কথার সঙ্গে সহমত নন, সেটাও তাকে জানানো জরুরি। কিন্তু সরাসরি বসের মতের বিপক্ষে গেলে হিতে-বিপরীত হতে পারে। আর সেজন্যই নিজের মতামত বসকে জানাতে হবে কিছুটা কৌশলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে-

বসের সঙ্গে অযথা তর্ক করতে যাবেন না। বসের কথার সঙ্গে আপনি কেন সহমত হতে পারছেন না, সেই যুক্তিগুলো আগে নিজের কাছে তৈরি রাখুন। বসকে বুঝিয়ে বলতে হলে আগে নিজেকে  বিষয়টি ভালো করে বুঝতে হবে।

সময়-সুযোগ বুঝে বসের সঙ্গে কথা বলুন। কনফারেন্স রুমে সবার সামনে বা অন্য সহকর্মীদের সামনে কখনোই বলবেন না যে, আপনি বসের সঙ্গে সহমত হতে পারছেন না। আলাদা কোনো সময়ে বসের সঙ্গে একান্তে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন।

যুক্তি তৈরি রাখুন। ঠান্ডা মাথায়, নিচুস্বরে আপনার যুক্তিগুলো বসের সামনে তুলে ধরুন।

আলোচনার সময় উত্তেজিত হয়ে পড়লেই কিন্তু মুশকিল। মেজাজ হারালে চলবে না। আপনার যুক্তির সাপেক্ষে বসও যুক্তি দিতে পারেন। বসের সঙ্গে তর্কে না গিয়ে মন দিয়ে সেই কথাগুলো ভালো করে বোঝার চেষ্টা করুন। হতেই পারে, আপনার বসের কথাটাই আসলে ঠিক।

এমনও পরিস্থিতি হতে পারে যে, বস আপনার কথা কিছুতেই মানতে চাইছেন না, আবার আপনিও পিছু হটতে নারাজ। সেক্ষেত্রে মাঝামাঝি কোনো একটা পথ খোঁজার চেষ্টা করুন। আপনি কীভাবে কথাটি বসের সামনে তুলে ধরছেন, তাতেই প্রকাশ পাবে আপনার বুদ্ধিমত্তা।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা অবলম্বনে

About

Popular Links