Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সুখী দাম্পত্যের জন্য যেসব নিয়ম মেনে চলবেন

বিবাহিত জীবনে সুখ-শান্তির জন্য সবাই সামর্থ্য অনুযায়ী সবটুকু দেওয়ার চেষ্টা করে

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:৩০ পিএম

বিয়ের মাধ্যমে দুটি মানুষ জীবনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে থাকে। প্রেমের আবেগপূর্ণ মুহূর্তগুলোর সঙ্গে বিয়ের পরের কঠিন বাস্তবতার অনেক পার্থক্য রয়েছে। বিয়ের মাধ্যমেই যেহেতু একজনকে জীবনে জড়িয়ে তার পুরো দায়িত্ব নেওয়া, তাই যে কেউ অনেক চিন্তাভাবনার পরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

দাম্পত্য জীবনে সুখ প্রত্যাশা করেন সবাই। বিবাহিত জীবনের সুখ-শান্তির জন্য সবাই সামর্থ্য অনুযায়ী সম্ভাব্য সবকিছু করার চেষ্টা করেন। দুই পক্ষকেই সামঞ্জস্য এবং সমন্বয় করতে হবে। কিন্তু যদি শুধু একজনের ঘাড়ে সবকিছুর দায়িত্ব এসে পড়ে, তাহলে সেই দাম্পত্য জীবন সুখকর হয় না।

সংসার জীবনে সুখী হতে গেলে আপনাকে বিয়ের পর এমন কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে যেগুলো সাধারণত কেউ বলে না। চলুন দেখে নিই সেসব বিষয় কী কী-

জীবনসঙ্গীর অভিভাবকদের সমালোচনা না করা

জীবনসঙ্গীর বাবা-মায়ের ভুলের দিকে ইঙ্গিতের অভ্যাস থাকে অনেকেরই। কেউ আপনার মা-বাবার প্রতি একই আচরণ করলে আপনার কেমন লাগবে সেটি কি একবারও ভেবে দেখেছেন? তাই আপনার জীবনসঙ্গীর ক্ষেত্রেও একই নীতি মেনে চলুন। বিরক্তি না দেখিয়ে নিজের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করুন।

খোলাখুলি কথা বলা বেশ কার্যকর। তাই অনুভূতিগুলোকে ইতিবাচকভাবে প্রকাশ করলে আপনার সমস্যার সমাধান করা সহজ হবে। অন্যদিকে মনের ভাব নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করলে সমস্যার সমাধান তো হবেই না, বরং সেটি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

সমস্যা বুঝে সমাধান

সব ছোট ছোট সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামানো বুদ্ধিমানের কাজ না। কারণ এটি আপনার ঝগড়াটে মনোভাবের পরিচয় বহন করে। এর চেয়ে সমস্যার মাত্রা আর ব্যাপ্তি বুঝে তা সমাধানের উপায় খুঁজে বের করুন। এতে আপনার আত্নসম্মান আর ব্যক্তিত্বও বজায় রাখবে।

তুচ্ছ সমস্যা নিয়ে মনে রাগ-ক্ষোভ জমা না রেখে ছাড় দিতে শিখুন। কিন্তু তাই বলে যেকোনো পরিস্থিতিতে নীরব থাকা কিংবা বড় সমস্যার কথা জানানো থেকে বিরত থাকা যাবে না। সমস্যা বড় হয়ে ওঠার আগেই সঙ্গীর সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলে তা সমাধান করে নিন।

জীবনসঙ্গীর ভালোবাসার ধরন বোঝা

বিয়ের প্রথম দিকে সঙ্গীর ভালোবাসার ধরন বোঝা আপনার সুখী দাম্পত্য জীবনের চাবিকাঠি হতে পারে। কেউ হয়তো সারাক্ষণ সঙ্গীর কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে, আবার কেউ কিছুটা সময় একাকি কাটাতে চায়। এ বিষয়গুলো না বুঝলে সংসারে ভুল বোঝাবুঝি এবং অশান্তি হতে পারে।

তাই আপনারা যদি এসব বিষয় সচেতন হন এবং পরস্পরের চাহিদা বুঝতে পারেন, তাহলে আপনাদের বিবাহিত জীবন আরও সুখের হবে। প্রতিটি দম্পতি যেমন আলাদা, তেমনি তাদের সমস্যা সমাধানের পন্থাও ভিন্ন। তাই পরস্পরের চাহিদাকে সম্মান এবং সঙ্গীর ভালোবাসার ধরন বোঝার মাধ্যমে শুধু জীবনসঙ্গীই না, সেরা বন্ধুও হয়ে ওঠা যায়।

About

Popular Links