Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দৈনন্দিন জীবনের যেসব অভ্যাস স্বাভাবিক মনে হলেও ক্ষতিকর

বাজে অভ্যাসগুলোকে  প্রশ্রয় দিই বলেই দিনশেষে আমরা ভুক্তভোগী হই 

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৩, ০২:৫১ পিএম

দৈনন্দিন জীবনে অনেক বাজে অভ্যাস যুক্ত করার কারণে আমরা নিজেদের অজান্তেই আমাদের সুস্বাস্থ্যের ক্ষতি করি। এসব অভ্যাসের অনেকগুলোকেই আমরা স্বাভাবিক বলে ধরে নিই। কিন্তু আদতে এ অভ্যাসগুলো আমাদের সুস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এসব বাজে অভ্যাসগুলোকে আমরা অনেকেই উপেক্ষা করি। ফলে দিনশেষে ভুক্তভোগী হই আমরাই। চলুন দৈনন্দিন জীবনের এমন কিছু অভ্যাসের কথা জেনে নিই, যেগুলোকে স্বাভাবিক বলে ধরে নিলেও আমাদের সুস্বাস্থ্যের প্রধান অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে-

অতিরিক্ত স্ক্রিনটাইম

ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্মার্টফোন-ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহার কিংবা টিভি দেখাকে আমরা স্বাভাবিকই মনে করি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এতে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়।

বাড়তি কাজ

অনেক জায়গায়ই নির্দিষ্ট সময়ের চেয়েও অতিরিক্ত কাজ করাকে ভালো গুণ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু এতে বার্নআউট, মানসিক চাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই কাজের ক্ষেত্রে কৌশলী হোন।

একসঙ্গে একাধিক কাজ

সময় বাঁচাতে আমাদের অনেকেই একসঙ্গে একাধিক কাজ করে থাকেন। এ গুণের জন্য অনেকের প্রশংসাও জুটে। তবে এতে প্রোডাক্টিভিটি কমে এবং মানসিক চাপ বেড়ে যায়। তাই একই সময় শুধুমাত্র একটি কাজের দিকেই মনোযোগী হোন।

মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা

বর্তমান সময়েও আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্যকে তেমন গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। ফলে অনেকেই সমাজের বাঁকা চোখের ভয়ে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা চেপে যান। কিন্তু এতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকিই বেশি।

সীমারেখার অভাব

যেকোনো সম্পর্কেই একটি সীমারেখা থাকা প্রয়োজন, যা কখনো অতিক্রম করা অনুচিত। কারণ সেই সীমারেখা না থাকলে সম্পর্কে বিরক্তিভাব আসে এবং তাতে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। তাই শুধু সম্পর্কই না, যেকোনো বিষয়েই একটি সীমারেখা বজায় রাখুন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঈর্ষা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইক-কমেন্ট বাটনের মাধ্যমে আমরা অন্যদের কাছে সম্মানের দাবি করি। কিন্তু এমন প্রত্যাশায় আমাদের আত্মবিশ্বাস ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। কেউ যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটান, তাহলে তা কমিয়ে দিন।

অন্যদের সঙ্গে তুলনা

প্রতিযোগিতামূলক সমাজে অন্যদের সঙ্গে যে কারও তুলনা করা যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। অনেকে নিজেও নিজের ক্ষেত্রে এ কাজটি করে থাকেন। কিন্তু আপনার আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং নিজেকে নিয়ে নেতিবাচক ধারণা জন্মায়। তাই অন্যদের দিকে না তাকিয়ে নিজের সামর্থ্যের ওপর ভরসা রাখুন।

অপর্যাপ্ত ঘুম

কাজ এবং বিনোদনের প্রতি বাড়তি গুরুত্ব দিতে গিয়ে অনেকেই নিজের ঘুমকে অবজ্ঞা করেন। কিন্তু এর ফলে আপনার নিজের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।

অতিরিক্ত খাওয়া

খাবার হোক কিংবা পানীয়- অতিরিক্ত কোনো কিছু খাওয়া ভালো না। মাত্রাতিরিক্ত খাবার-পানীয় খেলে সেটিকে অনেক স্বাভাবিকভাবে দেখেন। কিন্তু এতে যে শারীরিক আর মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা সম্ভবত অনেকেরই অজানা।

About

Popular Links