Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

উদ্বেগ কেড়ে নিচ্ছে ঘুম, নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন যেসব উপায়ে

ঘুমে সমস্যা হওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ উদ্বেগ

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৩, ০১:১৮ পিএম

ঘুম মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খোরাক। ভালো ঘুম একটি সুন্দর দিনের শুরু করে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন হয়। কিন্তু  অনেকেই আছেন যারা প্রতিদিন বিভিন্ন কারণে ভালোভাবে ঘুমাতে পারেন না।

ঘুমে সমস্যা হওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ উদ্বেগ। ঘরে-বাইরে কাজের চাপ। পেশাগত, ব্যক্তিগত জটিলতা সবমিলিয়ে কারণে উদ্বিগ্ন থাকা স্বাভাবিক। কারও কারও ক্ষেত্রে উদ্বেগ এতটাই মাত্রাহীন হয়ে যায় যে, তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে রীতিমতো ওষুধ খেতে হয়। রাতের পর রাত ঘুম না হলে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। মনোবিদের সাহায্যও নিতে হয় কাউকে কাউকে। তবে খুব যদি বাড়াবাড়ি না হয়, সেক্ষেত্রে সামান্য কয়েক অভ্যাসেই উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে-

উত্তেজনা প্রশমন

এমন কোনো ছবি, সিনেমা বা সিরিজ় দেখা যাবে না, যা দেখলে উত্তেজিত হয়ে পড়তে পারেন। সারা ৎদিন পর বাড়ি ফিরে পরিবারের ভালো-মন্দ নানা বিষয়ে আলোচনা করেন অনেকে। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, তা যেন আলোচনার পর্যায়েই থাকে। উত্তেজনা বাড়িয়ে না দেয়।

মেডিটেশন

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মিনিট দশেক ধ্যান করার অভ্যাস করতে পারেন। হালকা কোনো যন্ত্র বা মেডিটেশন মিউজিক শুনতে শুনতেও ধ্যান করতে পারেন। নিজের মনকে শান্ত করার এই প্রক্রিয়া এক দিনে রপ্ত করা সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে মনকে একটি বিন্দুতে নিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে।

ঘুমোনোর আগে লেখার অভ্যাস

অনেকেই রাতে ঘুমোনের আগে ডায়েরিতে সারাদিনের যাবতীয় কাজ লিপিবদ্ধ করতে ভালবাসেন। মনোবিদরা বলছেন, নিজের ব্যক্তিগত চিন্তা-ভাবনা, ভয়, উদ্বেগের কারণগুলো লিখে রাখতে পারলেও অনেকটা হালকা লাগে। রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমোনো যায়।

ডিজিটাল যন্ত্রের ব্যবহার কমানো

কাজ থেকে ফিরে নির্দিষ্ট একটি সময়ের পর থেকে ফোন, ল্যাপটপের ব্যবহার কমিয়ে আনুন। অনলাইনে ঘোরাফেরা করার অভ্যাস এবং ডিজিটাল যন্ত্র থেকে প্রতিফলিত নীলচে আলো মেলানিন হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে ঘুমের স্বাভাবিক চক্র ব্যাহত হয়।

অতিরিক্ত ঘুমও খারাপ

রাতে জেগে থাকলেই ভালো-মন্দ বিভিন্ন রকম চিন্তা মাথায় আসবে। সেখান থেকে উদ্বেগের মাত্রা বেড়ে যেতেই পারে। রাতে ঘুম না আসার অন্যতম কারণ দিনে বেশি ঘুমোনো। তাই যখন ইচ্ছে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

About

Popular Links