Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অফিসে বেশি সময় থাকলেই কি কাজ ভালো হয়?

বেশি কাজ করলে ভালো ফল মিলবে আমাদের সমাজে এমনটাই প্রচলিত

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:০২ পিএম

নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার চেয়ে বেশি সময় ধরে কাজ করাটা অনেক অফিসেই আজকাল অলিখিত একটা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মীদের দিয়ে বেশি কাজ করিয়ে নিতে কিংবা ডেডলাইনের মধ্যে কাজ শেষ করতে বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসে এই অবস্থা চলছে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, অফিসে বেশিক্ষণ অবস্থান করলেই কি কাজ ভালো হয়? আর এই প্রশ্নে উত্তর খুঁজতে সম্প্রতি এক গবেষণা চালিয়েছে কর্মক্ষেত্র সংক্রান্ত মার্কিন মেসেজিং অ্যাপ স্ল্যাকের ওয়ার্কফোর্স ল্যাব।

ওই গবেষণার ভিত্তিতে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করে চাপ ও ক্লান্ত অনুভব করেন কর্মীরা। ফলে কর্মদক্ষতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

গবেষণার জন্য ডেস্ক-ভিত্তিক প্রায় ১০ হাজার কর্মীর ওপর জরিপ চালায় স্ল্যাক। এতে দেখা গেছে, যারা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করে তারা অতিরিক্তি ঘণ্টা কর্মক্ষেত্রে থাকা কর্মীদের তুলনায় ২০% বেশি কর্মক্ষম। যারা নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার পরে কাজ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ কাজের চাপ এবং ক্লান্তি অনুভব করে থাকেন।

জরিপের ফলাফলে আরও দেখা যায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা বৃহত্তর স্বার্থের নামে কম-বেশি চাপ দিয়ে থাকেন কর্মীদের। ফলে অনেকে মানসিক চাপ ও হতাশা বোধ করেন। কাজের দক্ষতা কমে যায়। ভালো ফল পাওয়া যায় না।

ওই গবেষণা ও বিশ্লেষণের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং স্ল্যাকের ওয়ার্কফোর্স ল্যাবের প্রধান ক্রিস্টিনা জানজার বলেন, “বেশি কাজ করলে ভালো ফল মিলবে আমাদের সমাজে এমনটা প্রচলিত আছে। তবে গবেষণা বলছে বেশি কর্মঘণ্টা মানেই ভালো ফলাফল নয়।”

এর আগেও বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। ২০১৪ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, সপ্তাহে ৫০ ঘণ্টা কাজের পর কর্মীদের কর্মক্ষমতা তীব্রভাবে কমে যায়। আর ৫৫ ঘণ্টা পর দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করা ব্যক্তির স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৫% এবং হৃদরোগে মারা যাওয়ার ঝুঁকি ১৭%।

About

Popular Links