Friday, June 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাদের: ছাত্রলীগের সংকটের সমাধান আমার কাছে নেই

‘সাধারণ রক্তের সম্পর্কের ব্যাপারটা- বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধের ছেলেমেয়ে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখবো। যাকে সদস্য করা হবে তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করা, ক্রিমিনাল রের্কড আছে কিনা, কোনও সম্প্রদায়িক দলের সঙ্গে সম্পর্ক আছে কিনা, সে বিষয়গুলো দেখা হবে।’

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৯, ০৪:২৩ পিএম

ছাত্রলীগে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে সেটার সমাধান তার কাছে নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন,  “এ বিষয়ে আমাদের যে চার সহকর্মী দায়িত্বে আছেন তারা জবাব দিতে পারবেন।”

২৮ জুন, শুক্রবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। খবর বাংলা ট্রিবিউনের।  

ছাত্রলীগে উদ্ভূত সংকটের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “ছাত্রলীগের ব্যাপারে আমাদের চারজন সহকর্মীকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব দিয়েছেন। কাজেই এ সম্পর্কে আপনারা যদি কিছু জানতে চাইলে তারা জবাব দেবেন।”

যদি এই চার নেতা ব্যর্থ হন তাহলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন,  “তারা সফল কী ব্যর্থ, তার বিচার প্রধানমন্ত্রী করবেন। আমি নিজেও এ বিষয়ে খুব বেশি কিছু একটা জানি না। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা ভালো বলতে পারবেন।”

ছাত্রলীগের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের চার নেতা হলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম ও বি এম মোজাম্মেল।  গত ১৩ মে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়ায় পদবঞ্চিতা নেতারা আন্দোলন করছেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিতর্কিতদের দ্রুত সময়ে কমিটি থেকে বাদ দিতে নির্দেশনা দেন। কিন্তু মাস পেরিয়ে গেলেও সমাধান হয়নি সে সমস্যার।

১ জুলাই থেকে নতুন সদস্য সংগ্রহ

ওবায়দুল কাদের জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন সদস্য সংগ্রহের অভিযান কর্মসূচি শুরু করবে আওয়ামী লীগ। এবার সদস্য নবায়নের চেয়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ গুরুত্ব দেওয়া হবে। জেলা, উপজেলা শাখা নিয়মাবলি মেনে সদস্য সংগ্রহের বই করবে ও সদস্য সংগ্রহ করবে সেই নির্দেশনা দিয়েছে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “অনেক নবীন এবার নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করেছে। এর মধ্যে ক্লিন চরিত্রের যারা আছে। আমরা তাদের নতুন সদস্য করবো। অন্য দল আগত কাউকে সদস্য করার ব্যাপারে দলের কোনও সিদ্ধান্ত নেই। সাধারণ রক্তের সম্পর্কের ব্যাপারটা- বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধের ছেলেমেয়ে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখবো। যাকে সদস্য করা হবে তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করা, ক্রিমিনাল রের্কড আছে কিনা, কোনও সম্প্রদায়িক দলের সঙ্গে সম্পর্ক আছে কিনা, সে বিষয়গুলো দেখা হবে।” 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম দফতর সম্পাদক ড.আবদুস সোবহান গোলাপ, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপি ও আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

About

Popular Links