Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

খালেদা জিয়ার অবস্থার কোনো অবনতি হয়নি, দাবি বিএসএমএমইউ পরিচালকের

বিএনপির সংসদ সদস্যদের অভিযোগের মধ্যেই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মাহবুবুল হক জানালেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:২৯ পিএম

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মাহবুবুল হক জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া ভালো আছেন, তার অবস্থার কোনো অবনতি হয়নি।

বুধবার (২ অক্টোবর) বিকালে তিনি এসব কথা জানান। খবর বাংলা ট্রিবিউনের।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ও আজ বুধবার বিএনপির সংসদ সদস্যরা খালেদা জিয়াকে দেখে এসে অভিযোগ করেন, তার শরীরের অবস্থা খুব খারাপ। তিনি নিজ হাতে খেতে পারেন না এবং নিজে পোশাকও পরতে পারছেন না। এ অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সুস্থতার জন্য উন্নত চিকিৎসা জরুরি।

বিএনপির সংসদ সদস্যদের এসব অভিযোগের মধ্যেই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মাহবুবুল হক জানালেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

তিনি বলেন, “বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা চলছে। আমাদের পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড রয়েছে, তারা তাকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন। তার যখন যা প্রয়োজন হচ্ছে সেটাই করা হচ্ছে। তার কোনো ‘সমস্যা হচ্ছে’…বলে মনে হচ্ছে না। তার ডায়াবেটিস, আর্থাইটিসের ব্যাথাতো প্রধান, আর কিছু নেই। তার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দাঁতের সমস্যা ছিল, সেটাও দূর হয়েছে।”

মাহবুবুল হক এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘খাওয়া-দাওয়া করছেন, ভালো আছেন তিনি। এখন বিএনপি কী বলছে, কে কি বলতেছে- আমাদের সঙ্গে তো কেউ কথা বলেননি।’

তিনি অভিযোগ করেন, “আমাদের সঙ্গে কথা বলেন না, মেডিক্যাল বোর্ডের কোনো সদস্যের সঙ্গেও কথা বলেন না। এখন তারা নিজেরা নিজেরা কি বলছেন, কীভাবে দেখছেন, এটা আসলে তাদের ব্যাপার।”

মাহবুবুল হক বলেন, “আমাদের যে চিকিৎসা চলছে, আপাতদৃষ্টিতে আমি আগেও যেটা বলেছিলাম দুই মাস আগে- তারচেয়ে তো তিনি খারাপ নেই, ভালো আছেন। তার অবস্থার কোনো ডিটোরিয়েট করে নাই, অবস্থার কোনো অবনতি হয় নাই।”

মঙ্গলবার দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা বিএনপির সংসদ সদস্যরা হলেন হারুনুর রশীদ, উকিল আবদুস সাত্তার ও আমিনুল ইসলাম। আজ জিএম সিরাজ, জাহিদুর রহমান, মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন।

দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে গত ১ এপ্রিল বিএসএমএমইউয়ে ভর্তি করা হয়। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের সাজা হয় তার। পরে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ বাতিল চেয়ে করা আপিলে সাজা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন উচ্চ আদালত। বর্তমানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে ৩৩টি মামলা চলছে।

About

Popular Links