• মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৫ রাত

আওয়ামী লীগের ভীতি; সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

  • প্রকাশিত ০১:০৩ দুপুর জুন ১২, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১০ দুপুর জুন ১২, ২০১৮
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

'আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত চক্রান্তের মাত্রা ততই বাড়ছে।'

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জন্য। এই মাধ্যমটি সবার হাতের মুঠোয় হওয়ায় খুব সহজেই এটি ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে সম্ভব হচ্ছে। 

ক্ষমতাসীন দলটির নীতিনির্ধারণী মহল বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এতই শক্তিশালী যে এখানে ভালো খবর যেমন খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি অপপ্রচারও সবার কাছে পৌঁছায় মুহূর্তের মধ্যে । আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের মাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী সূত্রগুলো বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের আগ্রহী করে তুলতে হবে। এখানে বেশি করে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে হবে। যাতে করে অপপ্রচারের ভিড়ে সরকারের অর্জন অতলে হারিয়ে না যায়।

আওয়ামী নেতাদের দাবি,আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত চক্রান্তের মাত্রা ততই বাড়ছে। সময়ের সাথে সাথে এই অপপ্রচারের মাত্রা দিগুন বেড়ে যাওয়া আশঙ্কা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মাঝে।  

আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা জানান, টানা ১০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের মাত্রা দিনদিন বাড়ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহজলভ্য হওয়ায় এই মাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা অব্যাহত আছে কিছু গোষ্ঠী।

এই বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ বলেন, ‘একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন থেকে অপপ্রচারে নেমেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে কোনও ঘটনা ঘটলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সেই ঘটনায় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা চলে। সর্বশেষ কোটাবিরোধী আন্দোলনেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের ঘটনা ঘটেছে। এগুলোর লাগাম টানা জরুরি।’

আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা জানান, যেসব আইডি থেকে অপপ্রচার চলে সেগুলোর ব্যাপারে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। দেখা গেছে, এসব আইডির বেশিরভাগই ‘ভুয়া’। আইডি গুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে এবং যুক্তরাজ্য থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান জানান, ‘সরকারের বিরোধী বিভিন্ন সংগঠন রাজনৈতিক মাঠে পরাস্ত হয়ে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারে নেমেছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে। এই চেষ্টা বহুদিন ধরে চলে আসছে। সময় এসেছে চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করার’। 

শেষ তথ্য জানা গেছে, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এগুলোর লাগাম টানতে বিটিআরসির সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।