• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৩ সকাল

অগ্রিম জয় নিশ্চিত করতেই ইভিএম, অভিযোগ বাম জোটের

  • প্রকাশিত ০২:২৭ দুপুর সেপ্টেম্বর ২, ২০১৮
বাম গণতান্ত্রিক জোট
শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বাম গণতান্ত্রিক জোট। ছবি: ইউএনবি

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ১০০ আসনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চালু করে ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দলের অগ্রিম বিজয় নিশ্চিত করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে জোটের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘ইভিএম নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নয়, বরং সরকারের এজেন্ডা।’ 

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ১০০ আসনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চালু করে ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দলের অগ্রিম বিজয় নিশ্চিত করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

‘নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অধিকাংশের মতামত উপেক্ষা করে, ডিজিটাল কারচুপির অসৎ উদ্দেশ্যে বিতর্কিত ও স্বচ্ছতাবিহীন ইভিএম চালুর বিরুদ্ধে’ আটটি বাম দলের সমন্বয়ে গঠিত বাম গণতান্ত্রিক জোট এ সমাবেশের আয়োজন করে।

সাইফুল হক বলেন, নির্বাচন কমিশন আগে বলেছিল যে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু তারা হঠাৎ করে কারো দাবি না থাকার পরও মেশিন চালুর জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি ১১তম জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বর্তমান নির্বাচন কমিশনারদের পদত্যাগ, কমিশন পুনর্গঠন এবং তার ভাষায় জনগণের সমর্থন না থাকা চলতি সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবি জানান।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বলেন, ইসি বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলকে পাশ কাটিয়ে এবং কোনো সম্ভাব্যতা যাচাই না করে সরকারের নির্দেশে ইভিএম চালু করতে যাচ্ছে। বর্তমান ইসি সরকারের আজ্ঞাবহ বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সরকার ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন জোট ও বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশিদ ফিরোজ। তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই।