• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৪১ রাত

‘আমি থাকলে খালেদা জিয়ার একচুলও ছুঁইতে পারতো না’

  • প্রকাশিত ০৯:২২ রাত সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৮
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। ফাইল ছবি

এই বীর উত্তম বলেন, ‘ওই রকম উপদেষ্টা আছে বলেই খালেদা জিয়া জেলখানায়।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় বিএনপি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনার অভিযোগে পুলিশের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে উদ্দেশ করে এই বীর উত্তম বলেন, ‘ওই রকম উপদেষ্টা আছে বলেই খালেদা জিয়া জেলখানায়। আমার মতো উপদেষ্টা থাকলে দেখা যাইতো খালেদা জিয়ার একচুলও ছুঁইতে পারতো না।’ 

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার স্থানীয় ডাকবাংলো চত্বরে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় এ কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।  

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আরও বলেন, ‘মামলায় যে সমস্ত আলামত উল্লেখ দিয়ে মামলা করা হয়েছে এ সব দিয়ে কখনো নাশকতা হয় না। তাই আমি শুধু আমার দলের নেতার নাম বাদ দিতে বলবো না, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা মামলারও প্রত্যাহার চাই। 

মামলার বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম তুহিন আলী বলেন, ‘কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ওই নেতার নাম মামলায় ভুল করে লেখা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বিএনপির শামীম নামের এক নেতার নামের স্থলে তার নাম উঠেছে। মামলাটির সংশোধনী পাঠানো হয়েছে।’ 

গত ৭ সেপ্টেম্বর সখীপুর থানা পুলিশ বিএনপির ১৬ জন ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জুলফিকার শামীমের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনের বিরুদ্ধে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনার মামলা করে। ওই মামলার প্রতিবাদেই উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। 

প্রতিবাদ সভায় উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আতোয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন-কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীর প্রতীক, জেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এসএম সালেক হিটলু, সহসভাপতি আবদুল হালিম সরকার, উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জুলফিকার শামীম, যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুন্নবী সোহেল প্রমুখ।