• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৮ রাত

ধর্মীয় উপাসনালয়ে নির্বাচনি কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবি

  • প্রকাশিত ০৪:৫৩ বিকেল নভেম্বর ১৬, ২০১৮
minority
বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন। ছবি- সৌজন্যে

"প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের শুরুতে নির্বাচন কমিশন অতীতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিলেও কখনও তা রক্ষা হয়নি"

মসজিদ-মন্দির-গির্জা-প্যাগোডাসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নির্বাচনি কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ দাবি করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কাছে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতেরও আহ্বান জানান তারা। 

শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত।

ভোটের রাজনীতিতে সংখ্যালঘুরাই নিয়ামক শক্তি বলে মন্তব্য করে রানা দাশগুপ্ত বলেন, “দ্বিধাহীন চিত্তে বলতে চাই, দেশের ১২ শতাংশ ভোটারকে উপেক্ষা করে, পাশ কাটিয়ে কোনও রাজনৈতিক দল ও জোটের ক্ষমতায়ন যেমন সম্ভব নয় তেমনি মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ বিনির্মাণও অসম্ভব। কেননা, ভোটের রাজনীতিতে এরাই নিয়ামক শক্তি।”

রানা দাশগুপ্ত আরও বলেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে সব রাজনৈতিক দল ও জোটের মিলিত উদ্যোগে উৎসবের আবহ তৈরি হলেও এ দেশে ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী তাদের উদ্বেগ থেকে মুক্ত হতে পারছেন না। নব্বই পরবর্তী বাদে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তা সংখ্যালঘু জনজীবনে বিপর্যয় ও আর উদ্বেগের কারণ হিসেবে এসেছে। তাই নির্বাচন অনেকের কাছে উৎসবের হলেও সংখ্যালঘুদের কাছে উদ্বেগের কারণ। প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের শুরুতে নির্বাচন কমিশন অতীতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিলেও কখনও তা রক্ষা হয়নি। আশা করি, এবার তার ব্যত্যয় ঘটবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের আহ্বান, নির্বাচনে মসজিদ-মন্দির-প্যাগোডা-গীর্জাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়কে নির্বাচনি কর্মকাণ্ডের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা সব রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে আহ্বান জানাই, এমন কাউকে আপনারা মনোনয়ন দেবেন না যারা ইতোপূর্বে জনপ্রতিনিধি হয়ে ও থেকে ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন বা আছেন। এমন কাউকে প্রার্থী করা হলে তবে সেই নির্বাচনি এলাকায় তাদের সংখ্যালঘুদের ভোট দেওয়া সম্ভব হবে না বলে মনে হয়।” সংবাদ সম্মেলনের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিমচন্দ্র ভৌমিক। এছাড়া সংগঠনটির অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।