• রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪২ রাত

তোফায়েল: বিএনপি কিছু না করে ঢাকায় বসে খবরের কাগজে বিবৃতি দেয়

  • প্রকাশিত ১০:৫৩ রাত ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮
তোফায়েল আহমেদ
পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ছবি: বাসস।

'গত ১০ বছর ধরে বিএনপি প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় না আসার কারণে জনরোষের ভয়ে আছে'

বিএনপি কিছু না করে ঢাকায় বসে খবরের কাগজে বিবৃতি দেয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ । বৃহস্পতিবার, ভোলা ১ আসনের পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের চর জাঙ্গালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের মাঠে এক পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, "গত ১০ বছর ধরে বিএনপি প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় না আসার কারণে জনরোষের ভয়ে আছে। তাই কিছু না করে ঢাকায় বসে খবরের কাগজে বিবৃতি দেয়। কিন্তু আমরা বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় নিয়মিত এলাকায় এসেছি"।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনরায় বিজয়ী করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, "শেখ হাসিনার সরকার গরিব মানুষের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল দিচ্ছে। অসহায় মানুষের জন্য ভিজিএফ কার্ড দেয়া হচ্ছে। বৃদ্ধ ভাতা, বয়স্ক ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ অনেক সুজোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এতে করে মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে। মানুষের জীবন মান আগের চেয়ে বেড়েছে"।

তার নির্বাচনী এলাকায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে তোফায়েল আরো বলেন, "আজকে যে স্কুলের মাঠে সভা হচ্ছে সেটি এমপিওভুক্ত করেছি আমরা। এই কলেজ ভবন আওয়ামী লীগ সরকার করে দিয়েছে। এই গ্রামের কাঁচা রাস্তা আমরা পাকা করে দিয়েছি। অন্ধকার গ্রামে বিদ্যুৎ এনে দিয়েছি। মেঘনার নদীর ভাঙ্গন রোধসহ অনেক উন্নয়ন হয়েছে এই সরকারের গত ১০ বছরে"।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. ছগির মাষ্টারের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো: মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো: ইউনুছ হাজ্বি।

সন্ধ্যার পরে তিনি পূর্ব ইলিশায় অপর এক পথসভায় বক্তব্য দেন। এখানে নৌকার পক্ষে ভোট চান তোফায়েল আহমেদ।