• মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫৯ সন্ধ্যা

শেরপুর-১ থেকে লড়ছেন বিএনপির সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী প্রিয়াংকা

  • প্রকাশিত ০৭:২১ রাত ডিসেম্বর ১৮, ২০১৮
ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা।
ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। ছবি : ফেসবুক

প্রিয়াংকা ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, দীর্ঘ ২২ বছর পর শেরপুর-১ আসনের বাসিন্দারা বিএনপি থেকে প্রার্থী পেল। নিজের দলের প্রার্থী পেয়ে খুশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও।

খাতা-কলমের হিসাব বলছে তার বয়স মাত্র ২৫ বছর ৫ মাস। এই বয়সেই বিএনপির পক্ষে শেরপুর-১ আসন থেকে নির্বাচন যুদ্ধে নেমেছেন ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আফরোজা বিএনপির হয়ে নির্বাচনে দাঁড়ানো সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী। 

প্রিয়াংকা শেরপুরের বিএনপি নেতা হযরত আলীর মেয়ে।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালের ২২ জুন জন্মগ্রহণ করেন প্রিয়াংকা। ২০০৮ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। আর এইচএসসির গণ্ডি পেরোন ২০১০ সালে। ২০১৬ সালে এমবিবিএস পাস করেন প্রিয়াংকা। বর্তমানে ঢাকার ধানমণ্ডিতে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রভাষক তিনি।  

আরও পড়ুন : শেরপুর-১ আসনে প্রিয়াংকার নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ আসন থেকে প্রিয়াংকা ছাড়াও আরও তিনজন বিএনপি থেকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়নপত্র পান। তাদের মধ্যে ছিলেন প্রিয়াঙ্কার বাবা হযরত আলীও। তবে ঋণ খেলাপির অভিযোগে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি।

প্রিয়াংকা ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, দীর্ঘ ২২ বছর পর শেরপুর-১ আসনের বাসিন্দারা বিএনপি থেকে প্রার্থী পেল। নিজের দলের প্রার্থী পেয়ে খুশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও। 

প্রিয়াংকা আরও জানান, ‘গণতন্ত্রের জন্য ভোট দিতে মানুষ আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। ৩০ ডিসেম্বর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমি এই আসনে জেতার বিষয়ে আশাবাদী।’ 

ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার নির্বাচনী পোস্টার  

এই আসনে প্রিয়াংকা বিপরীতে নৌকা প্রতীকে লড়বেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক। 

সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি থেকে মো. নজরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর পর একই বছর সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নজরুল ইসলাম পুনরায় প্রার্থী হলেও নির্বাচিত হতে পারেননি।

জোটের রাজনীতির সমীকরণে পরের নির্বাচনগুলোতে এ আসনে ছাড় দিতে হয় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে।