• মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪৯ সন্ধ্যা

রিজভী: ৯টি পদ্ধতিতে ভোটের আগের রাতে সিল মারা হবে

  • প্রকাশিত ০৬:০৯ সন্ধ্যা ডিসেম্বর ২২, ২০১৮
রিজভী
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি- ঢাকা ট্রিবিউন

“ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট হিসেবে যাদের মনোনীত করা হবে তাদের নির্বাচনের দুই-একদিন আগেই গ্রেফতার করা শুরু হবে"

নির্বাচনের আগের রাতে ৯টি পদ্ধতিতে ব্যালটে সিল দেওয়া হবে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমরা বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছি, ডিএমপি থানার ওসিরা সিল মারার জন্য প্রাপ্ত তালিকাভুক্ত আওয়ামী কর্মীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন এবং নির্দেশনা দিচ্ছেন।”

শনিবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। 

রিজভী বলেন, “খবর আছে ডিএমপির পক্ষ থেকে ভোট কারচুপি করা হবে। ৯টি পদ্ধতিতে ভোটের আগের রাতে সিল মারা হবে ব্যালটে। এই নয়টি পদ্ধতি হচ্ছে- ১. অপেক্ষাকৃত যুবক বয়সের কর্মীরা সিল মারার দায়িত্বে থাকবেন। ২. পাঁচজন করে কেন্দ্রভিত্তিক সিল মারা গ্রুপ ঠিক করা হয়েছে। ৩. শুধুমাত্র দলনেতার কাছে মোবাইল থাকবে এবং ২৯ তারিখ রাতে নির্দিষ্ট নম্বর ছাড়া অন্য কোনও কল রিসিভ করবে না। ৪. থানা থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এস আই এর নেতৃত্বে থাকবে এবং রাতে ৩০ শতাংশ ভোট সিল মারা হলে তারা কেন্দ্র থেকে চলে যাবে। ৫. রাত ও দিনের বেলা কেন্দ্রের বাইরে পাহারা দেওয়ার জন্য কর্মীদের দ্বারা পৃথক টিম গঠন করে দিয়েছে পুলিশ। ৬. সিল মারার সময় বাইরে সর্তক অবস্থায় থাকবে বিভিন্ন বাহিনী। ৭. দিনের বেলায় আওয়ামী লীগের অন্য কর্মীরা লাইনে থাকবে, বারবার বিশৃঙ্খলা তৈরি করে আবার ঠিক করা হবে এবং ভোট প্রদানের গতি অনেক মন্থর করা হবে। ৮. পুলিশের মোবাইল টিম কর্তৃক বিরোধী দলের সমর্থিত এলাকার লোকদের আসার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করবে। ৯. ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তা অধীনস্থ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে বলেন, যারা সরকারকে বিজয়ী করতে চান, তারা হাত তুলুন- এভাবে প্রতিশ্রুতি আদায় করা হচ্ছে অধস্তন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে।”

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, “ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট হিসেবে যাদের মনোনীত করা হবে তাদের নির্বাচনের দুই-একদিন আগেই গ্রেফতার করা শুরু হবে।”


চিত্রনায়ক ফারুক ও ক্রিকেটার মাশরাফির প্রার্থীতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “নৌকা মার্কার প্রার্থী চিত্রনায়ক ফারুক ঋণখেলাপি হয়েও প্রার্থী হয়েছেন, নির্বাচন কমিশন ও আদালত এক্ষেত্রে নির্বিকার। নৌকা মার্কার আরেক প্রার্থী ক্রিকেটার মাশরাফি সরকারি বেতনভুক্ত, অথচ তিনিও বৈধ প্রার্থী। অসংখ্য দণ্ডিত ও ঋণখেলাপিরা নৌকা মার্কার প্রার্থী। আসলে ক্ষমতা হাতে থাকলে পাহাড়েও নৌকা ভাসানো যায়।”