• বুধবার, মার্চ ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৬ রাত

এইচটি ইমাম: এবার আদর্শ নির্বাচনের উদাহরণ তৈরি হবে

  • প্রকাশিত ০৮:৪৬ রাত ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮
এইচ টি ইমাম
বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে শনিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যত রাখেন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমাম। ছবি: ইউএনবি।

'সেনাবাহিনী সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সংবিধানের লঙ্ঘন'

সর্বোচ্চ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকায় এবার আদর্শ নির্বাচনের উদাহরণ তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমাম।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে শনিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে এইচটি ইমাম বলেন, "এখন নির্বাচন কমিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে আরও বেশি সক্ষম। ভোটার সংখ্যার তুলনায় এটা একটা বিশাল চ্যালেঞ্জের কাজ। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব পালনে সক্ষম। যা প্রশংসনীয়। অনেক দেশের তুলনায় এ সংখ্যা খুবই বেশি"।

স্বাধীনতার পর বর্তমান নির্বাচন পরিবেশ অনেক শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করেন তিনি। "ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা বিএনপি-জামায়াতের হামলার শিকার হয়েছেন," যোগ করেন তিনি।

২০০১, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বেশি সক্রিয় থাকায় সহিংসতার হার অনেক কম ছিল।

নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, "নির্বাচন কেবল শেখ হাসিনার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, দেশের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ"।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ১১ হাজার ৫০৬ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিএনপি-জামায়াত-ঐক্যফ্রন্টের দাবিকে মিথ্যা অভিযোগ আখ্যায়িত করলেও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গ্রেপ্তারের সঠিক সংখ্যা জানাতে পারেননি।

সেনাবাহিনীকে মুক্তিযুদ্ধের ফসল আখ্যায়িত করে এইচটি ইমাম বলেন, "সেনাবাহিনী সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সংবিধানের লঙ্ঘন। কারণ সশস্ত্র বাহিনী তাদের দায়িত্বের জন্য নিবেদিত প্রাণ"।

ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হচ্ছে বলে ঐক্যফ্রন্টের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "এটা রসিকতা। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মে আমাদের কোনো প্রবেশাধিকার নেই। তারা সংবিধিবদ্ধ স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ব্যালট বাক্স পরীক্ষা করতে পারে"।