• শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ দুপুর

হামলার অভিযোগ তুলে মধ্যরাতে অনশনে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা

  • প্রকাশিত ১০:৩৩ সকাল মে ১৯, ২০১৯
ছাত্রলীগ
দীর্ঘ দিন ধরেই আন্দোলন করছেন ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

ঘটনার প্রতিবাদে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় গোলাম রাব্বানীর নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগের কমিটিতে না থাকারও ঘোষণা দেন তারা।

ছাত্রলীগের কমিটিতে বিতর্কিত নেতাদের বিষয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে তথ্য দিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে মধ্যরাতে বৃষ্টিতে ভিজে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা। হামলার শিকার নেতাকর্মীরা বলছেন, বিচারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাস না পেলে তারা অনশন চালিয়ে যাবেন।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে বিতর্কিত নেতাদের বাদ দিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশ দিয়েছেন, সেই নির্দেশে জটিলতা নিরসনে ১৮ মে, শনিবার দিবাগত রাতে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) আলোচনায় বসেছিলেন। 

পদবঞ্চিত নেতাদের অভিযোগ, আলোচনার একপর্যায়ে রাত ২টার দিকে পদবঞ্চিত নেতাদের ওপর হামলা চালান গোলাম রাব্বানীর কর্মীরা। এতে ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তারা। খবর বাংলা ট্রিবিউনের।  

ঘটনায় রাত ৩টা থেকে হামলার শিকার নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন এবং ঘটনার প্রতিবাদে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় গোলাম রাব্বানীর নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগের কমিটিতে না থাকারও ঘোষণা দেন তারা।

পরে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক টিএসসি থেকে বেরিয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে আসেন। তারা ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অবস্থান ছেড়ে হলে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন ও সবকিছুর সুষ্ঠু সমাধানের কথা বলেন।

ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক এসময় হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন।

তবে হামলার শিকার নেতাকর্মীরা তাতে রাজি হননি। পদবঞ্চিতরা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস না পেলে তারা অনশন ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

অনশনের বিষয়ে গত কমিটির কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন বলেন, “তথ্য-প্রমাণ দিতে গিয়ে আমরা হামলার শিকার হয়েছি। এ ঘটনায় আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাই। তিনি আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।”