• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১৪ বিকেল

গয়েশ্বর: ছাত্রদল নিয়ে আমরা উভয় সংকটে

  • প্রকাশিত ০৫:৫৮ সন্ধ্যা জুন ১২, ২০১৯
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ফাইল ছবি। সংগৃহীত

"অতীতের মতো ওদের আন্দোলনের ধারাবাহিক ঐতিহ্যটা নাই। কিন্তু তারপরও তো তারা প্রচেষ্টা করে।"

বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ধারাবাহিক কমিটির দাবিতে ছাত্রদলের আন্দোলন সামলানো ও নতুন কমিটি গঠন নিয়ে দলটি উভয় সংকটে পড়েছে। 

ছাত্রদলের চলমান আন্দোলন ও কমিটির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, "এটা নিয়ে আমরা উভয় সংকটে। ছাত্ররা দীর্ঘদিন জেল খাটলো, মামলা এবং পুলিশের হয়রানির স্বীকার হলো। তাদের অবদানের বিনিময়ে কী পাবে? কী মূল্যায়ন হবে? দোষটা কার? দোষ কারও নয়। কারণ, গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে কোনও রাজনৈতিক দল তার কাজটি সঠিকভাবে করতে পারে না।"

বুধবার (১১ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে অবস্থিত নিজ চেম্বারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, "ছাত্রদল বড় একটি সংগঠন। এই সংগঠনের আন্দোলন-সংগ্রামের অনেক ঐতিহ্য আছে, তবে অতীতের মতো ওদের আন্দোলনের ধারাবাহিক ঐতিহ্যটা নাই। কিন্তু তারপরও তো তারা প্রচেষ্টা করে।"

ছাত্ররা কোথায় থাকবে প্রশ্ন রেখে গয়েশ্বর বলেন, তাদের থাকার কথা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তারা ক্যাম্পাসে যেতে পারে না। তাই তাদের কর্মকাণ্ডটা ক্যাম্পাসভিত্তিক হচ্ছে না। ছাত্রদের নিয়ে কর্মকাণ্ডটা তারা করতে পারছে না।

ছাত্রদলের নিয়মিত কাউন্সিল হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, "কিন্তু দেশে কাউন্সিল হওয়ার মতো পরিস্থিতি নাই। যার কারণে কাউন্সিলগুলো হতে বিলম্ব হয় এবং অনেকের ছাত্রত্ব থাকে না। কাউন্সিল নিয়মিত হলে ছাত্ররা তাদের অবদান অনুযায়ী পুরস্কৃত হতো।"

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, আমরা তাদের কথাগুলো শুনে তা সমাধান করা চেষ্টা করবো। আমি বিশ্বাস করি, ওরা এটা বুঝবে। সুতরাং ওদের সঙ্গে আলাপ করে এর সমাধান করা হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে কোনও আন্তর্জাতিক চাপ নেই- ক্ষমতাসীন দলের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে গয়েশ্বর বলেন, আমরা দেশে বাস করি। সুতরাং দেশের সমস্যা দেশেই সমাধান করতে হবে।

খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারের যখন ইচ্ছে তখন যে কোনও জেলখানাতে নিতে পারে। এটা সরকারের ইচ্ছা। এখানে কোনও প্রতিক্রিয়া নাই।