• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৮ রাত

তথ্যমন্ত্রী: জিয়া কখনই নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করেনি

  • প্রকাশিত ০৭:৫৫ রাত জুন ২০, ২০১৯
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নানের ৪৫তম মৃত্যবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: বাসস

'জিয়া একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা অনুসরণ করেছেন'

জিয়াউর রহমান কখনই নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করেননি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নানের ৪৫তম মৃত্যবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, "জিয়াউর রহমান কখনই নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করেননি, যা বিএনপি করছে। আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। কিন্তু বিএনপি জিয়ার মৃত্যুর পর সবসময় ইতিহাস ধ্বংসের চেষ্টা করেছে"।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, "আমি তাদের (বিএনপি) স্মরণ করিয়ে দিতে চাই বিদেশেও সুস্পষ্ট দলিলপত্রের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস লেখা হয়েছে"।

"আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এরপর তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ঘোষণাপত্র পাঠ করার জন্য সেনা সদস্য হিসেবে জিয়াউর রহমানকে আহ্বান জানান। জিয়া একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা অনুসরণ করেছেন", যোগ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "আসলে বিএনপি’র রাজনীতি মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং দলের জন্মও অবৈধ"।

"এখন বিএনপি’র সংসদ সদস্যরা বলছেন এই সংসদ অবৈধ। কিন্তু তারা সংসদে গিয়েছেন। তাই তারাও এখন সংসদের অবৈধ সদস্য হয়ে গেছেন। কেউ বিএনপিকে রাজপথে দেখতে পায় না, তাদের রাজনীতি নয়াপল্টনে তাদের কার্যালয় কেন্দ্রীক", বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।