• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪৭ সকাল

তথ্যমন্ত্রী: মির্জা ফখরুলের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও ছাড়িয়ে গেছে

  • প্রকাশিত ১০:৫৬ রাত আগস্ট ১৭, ২০১৯
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি/ফোকাস বাংলা

'দেশের পাটকলগুলোও ১৯৯১ ও ২০০১ সালে দুই মেয়াদে খালেদা জিয়া ও বিএনপি বন্ধ করে দিয়েছিল'

সম্প্রতি পাটশিল্প নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের করা মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। মির্জা ফখরুলের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, "মির্জা ফখরুলের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও ছাড়িয়ে গেছে"।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন বলে ইউএনবি'র একটি খবরে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পাটশিল্প ধ্বংসের জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, "মির্জা ফখরুলের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও ছাড়িয়ে গেছে। আদমজী জুট মিলস বন্ধ করেছিল বিএনপিই। দেশের পাটকলগুলোও ১৯৯১ ও ২০০১ সালে দুই মেয়াদে খালেদা জিয়া ও বিএনপি বন্ধ করে দেয়। আর আওয়ামী লীগ সরকার পাটকলগুলো শুধু পুনরায় চালুই করেনি, শ্রমিকদের এগুলোর মালিকানারও অংশীদারিত্ব দেয়। ফখরুল সাহেবের মিথ্যাচারে কবরেও গোয়েবলস লজ্জা পাবে বলে মনে হয়।"

এছাড়াও চামড়াশিল্প নিয়ে বিএনপির রাজনীতি করার অপচেষ্টা সফল হয়নি উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, "বর্তমান সরকারের আমলে চামড়া রপ্তানি ৪০০ মিলিয়ন ডলার থেকে সব মিলিয়ে ২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। দেশে গত ১০ বছরে অর্থনৈতিক উন্নয়নে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে পশু কোরবানি দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের ৩০-৪০ লাখ পশুর জায়গায় এখন প্রায় ১ কোটি পশু কোরবানি হয়। সে তুলনায় ট্যানারির সংখ্যা বাড়েনি, যদিও অনেক চামড়াশিল্প প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বেড়েছে। কিন্তু পরিবেশবান্ধবতা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতায় বেশকিছু ট্যানারি বন্ধও হয়ে গেছে। এবারের ঈদে এ অবস্থারই সুযোগ নিতে চেয়েছিল কিছু মুনফালোভী। সে কারণেই চামড়ার দরপতন হয়। আর বিএনপি চেয়েছিল এটা নিয়ে অপরাজনীতি করতে। কিন্তু তারা সফল হয়নি, সরকার সিন্ডিকেটের বিষয়টি পূর্ণ তদন্ত করছে।"

এসময় বিএনপি চেয়ারপার্সনের জন্মদিন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, "এবার বিএনপি বেগম জিয়ার জন্মদিনের কেক ১৫ আগস্ট কাটেনি, জন্মদিন একই রেখে কেক কেটেছে পরদিন । জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিনের নামে কেক কাটা উৎসবের কারণে তারা জনগণের যে ব্যাপক ঘৃণার সম্মুখীন হয়েছে সেটিই এ পরিবর্তনের কারণ।"

"যে দলের চেয়ারপার্সনের জন্ম তারিখ ঠিক নেই, সে দল কীভাবে এগোবে?", যোগ করেন তিনি।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক ও ডিবিসি টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী।