• সোমবার, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৫ রাত

জনগণের কল্যাণে কাজ করতে ছাত্রলীগের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

  • প্রকাশিত ০৯:১৫ রাত আগস্ট ৩১, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতির পিতার ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গণভবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফোকাস বাংলা

'মানুষের কল্যাণে আমরা কতটুকু কাজ করতে পারলাম, সেই হিসেবটাই আমাদের করতে হবে'

দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার জন্য ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে জাতির পিতার ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গণভবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, "যদি নিজেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে গড়ে তুলতে হয় তাহলে সত্যিকারভাবে তার আদর্শ বুকে ধারণ করে তার মত ত্যাগী কর্মী হিসেবে দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।"

আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, "জাতির পিতা সারাজীবন কষ্ট সহ্য করেছেন। এমনকি তার জীবনটি পর্যন্ত মানুষের জন্য দিয়ে গেছেন। জাতির পিতা জনগণকেই সবচেয়ে বেশি ভালবাসতেন। তিনি কখনও আমাদের কথা কিন্তু বলেননি। বলেছেন বাংলার সাধারণ মানুষের কথা। কাজেই তিনি যাদের ভালবাসতেন তাদের কল্যাণ করাটা সন্তান হিসেবে আমি দায়িত্ব বলে মনে করি।"

"জাতির পিতা এদেশের মানুষের কল্যাণে তার সবকিছু ত্যাগ করেছিলেন। সেই মানুষের কল্যাণে আমরা কতটুকু কাজ করতে পারলাম, সেই হিসেবটাই আমাদের করতে হবে। কতটুকু আমরা দিতে পারলাম-সেটাই হবে একজন রাজনৈতিক কর্মীর জন্য সবচেয়ে বড় সার্থকতা", যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, "ছাত্রলীগ আমার বাবার হাতে গড়া। আমিও একদিন ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম। সেই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবেই আমার রাজনীতির হাতেখড়ি। সেখান থেকেই আমার যাত্রা। কাজেই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের এইটুকুই বলবো চাওয়া পাওয়ার উর্ধ্বে উঠে ত্যাগের মনোভাব নিয়ে আদর্শের সাথে নিজেকে গড়ে তুলবে। দেশের মানুষকে কিছু দিয়ে যাবে, যেন জাতির পিতার আত্মা শান্তি পায়।"

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব এবং ’৭৫ এর ১৫ আগস্টের শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ছাত্রলীগের নিয়মিত প্রকাশনা ’মাতৃভূমি’র এবং তাদের মাসিক পত্রিকা ’জয় বাংলা’র মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মো.জোবাইর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিব চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী সভাটি পরিচালনা করেন।